০২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

চট্টগ্রাম বন্দর সচল করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি ডিসিসিআই এর

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত ও স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহস্পিতবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা চালিয়ে গিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করতে সরকারের জোড়ালো ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ডিসিসিআই এর মতে, চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি মাসে গড়ে ২.৬ লাখ টিইইউ পণ্য এবং দৈনিক গড়ে ৯,০০০ টিইইউ পণ্য খালাস হলেও, গত বুধবার থেকে এই কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য আটকা পড়ে রয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণে বাধ্য করছে। ডিসিসিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছে, এই অচলাবস্থার ফলে বিশেষ করে দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। সংগঠনটি আরও জানায় যে, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়াতে রাজি হলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংকট হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র—চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল রাখতে, ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে সরকারকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

চট্টগ্রাম বন্দর সচল করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি ডিসিসিআই এর

প্রকাশিতঃ ১২:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত ও স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহস্পিতবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা চালিয়ে গিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করতে সরকারের জোড়ালো ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ডিসিসিআই এর মতে, চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি মাসে গড়ে ২.৬ লাখ টিইইউ পণ্য এবং দৈনিক গড়ে ৯,০০০ টিইইউ পণ্য খালাস হলেও, গত বুধবার থেকে এই কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য আটকা পড়ে রয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণে বাধ্য করছে। ডিসিসিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছে, এই অচলাবস্থার ফলে বিশেষ করে দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। সংগঠনটি আরও জানায় যে, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়াতে রাজি হলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংকট হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র—চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল রাখতে, ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে সরকারকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই।