১০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘকে প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের বাংলাদেশ পুলিশের উচ্চপদস্থ ৮ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপির প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি সরকারের ঘোষণা: নির্বাচনের পর দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত হবে চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি ইজারাকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা, জরুরি সভার আহ্বান চট্টগ্রাম বন্দর: শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্ষোভের মুখে নৌ উপদেষ্টা ভোটের দিন ও ছুটির সময় মেট্রোরেল সচল থাকবে; কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ

চট্টগ্রাম বন্দর সচল করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি ডিসিসিআই এর

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত ও স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহস্পিতবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা চালিয়ে গিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করতে সরকারের জোড়ালো ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ডিসিসিআই এর মতে, চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি মাসে গড়ে ২.৬ লাখ টিইইউ পণ্য এবং দৈনিক গড়ে ৯,০০০ টিইইউ পণ্য খালাস হলেও, গত বুধবার থেকে এই কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য আটকা পড়ে রয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণে বাধ্য করছে। ডিসিসিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছে, এই অচলাবস্থার ফলে বিশেষ করে দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। সংগঠনটি আরও জানায় যে, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়াতে রাজি হলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংকট হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র—চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল রাখতে, ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে সরকারকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমির হামজার ফেসবুক পেজ বন্ধ করল মেটা কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রাম বন্দর সচল করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি ডিসিসিআই এর

প্রকাশিতঃ ১২:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত ও স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহস্পিতবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা চালিয়ে গিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করতে সরকারের জোড়ালো ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ডিসিসিআই এর মতে, চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি মাসে গড়ে ২.৬ লাখ টিইইউ পণ্য এবং দৈনিক গড়ে ৯,০০০ টিইইউ পণ্য খালাস হলেও, গত বুধবার থেকে এই কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য আটকা পড়ে রয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণে বাধ্য করছে। ডিসিসিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছে, এই অচলাবস্থার ফলে বিশেষ করে দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। সংগঠনটি আরও জানায় যে, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়াতে রাজি হলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংকট হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র—চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল রাখতে, ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে সরকারকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই।