০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

তারেক রহমানের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তার অভিনন্দন বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে এই চিঠি প্রকাশিত হয়।

চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য মানবিক সহায়তা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসন, ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো আমাদের সাধারণ মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য।

অতিষ্ঠ থাকা শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি এও বলেন যে, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, এবং নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই দুজনের মধ্যকার অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হবে।

রাষ্ট্রদূত স্টারমার বাংলাদেশের মানবিক আচরণ, বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দেশের প্রতিশ্রুতি ও সহানুভূতি প্রশংসা করেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, যুক্তরাজ্য সরকার তাদের জন্য মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

চিঠির শেষ অংশে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ অবশ্যই সফলতা এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। এই প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

তারেক রহমানের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তার অভিনন্দন বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে এই চিঠি প্রকাশিত হয়।

চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য মানবিক সহায়তা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসন, ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো আমাদের সাধারণ মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য।

অতিষ্ঠ থাকা শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি এও বলেন যে, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, এবং নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই দুজনের মধ্যকার অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হবে।

রাষ্ট্রদূত স্টারমার বাংলাদেশের মানবিক আচরণ, বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দেশের প্রতিশ্রুতি ও সহানুভূতি প্রশংসা করেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, যুক্তরাজ্য সরকার তাদের জন্য মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

চিঠির শেষ অংশে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ অবশ্যই সফলতা এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। এই প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে।