০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

তারেক রহমানের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তার অভিনন্দন বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে এই চিঠি প্রকাশিত হয়।

চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য মানবিক সহায়তা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসন, ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো আমাদের সাধারণ মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য।

অতিষ্ঠ থাকা শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি এও বলেন যে, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, এবং নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই দুজনের মধ্যকার অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হবে।

রাষ্ট্রদূত স্টারমার বাংলাদেশের মানবিক আচরণ, বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দেশের প্রতিশ্রুতি ও সহানুভূতি প্রশংসা করেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, যুক্তরাজ্য সরকার তাদের জন্য মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

চিঠির শেষ অংশে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ অবশ্যই সফলতা এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। এই প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

তারেক রহমানের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তার অভিনন্দন বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে এই চিঠি প্রকাশিত হয়।

চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য মানবিক সহায়তা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসন, ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো আমাদের সাধারণ মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য।

অতিষ্ঠ থাকা শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি এও বলেন যে, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, এবং নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই দুজনের মধ্যকার অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হবে।

রাষ্ট্রদূত স্টারমার বাংলাদেশের মানবিক আচরণ, বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দেশের প্রতিশ্রুতি ও সহানুভূতি প্রশংসা করেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, যুক্তরাজ্য সরকার তাদের জন্য মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

চিঠির শেষ অংশে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ অবশ্যই সফলতা এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। এই প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে।