০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আরও ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের জোগান বেড়ে ও উদ্বৃত্ত তৈরি হওয়ায় বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার ক্রয় করেছে। গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের আটটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে।

এ ঘটনার পর চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট কেনা ডলারের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ক্রয়ের পরিমাণ হয়েছে ৫৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

মুদ্রাবাজারকে বাজারভিত্তিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে দর স্থিতিশীল রাখতে গত বছরের ১৩ জুলাই থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে। রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় বৃদ্ধির ফলে বাজারে ডলারের দর অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে; সেটি এড়াতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ডলার সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, মঙ্গলবার করা এই ক্রয় নিলামের মাধ্যমে করা হয়েছে এবং প্রতিবারই বাজার স্বাভাবিক রাখতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। ওই নিলামে ডলারের ক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। তিনি জানান, ক্রয় প্রক্রিয়াটি ফরেন এক্সচেঞ্জ নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত এই ক্রয়ের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং বাজারে ডলারের অস্বাভাবিক দরপতন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে। ফলত আমদানি ও রেমিট্যান্সভিত্তিক লেনদেনেও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নিলামভিত্তিক ক্রয় নীতি ভবিষ্যতেও বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা, যাতে বিনিময় হার অনির্দিষ্ট চড়াই-উতরাই থেকে রক্ষিত থাকে এবং বাজারে যথাসম্ভব সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আরও ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিতঃ ১২:১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের জোগান বেড়ে ও উদ্বৃত্ত তৈরি হওয়ায় বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার ক্রয় করেছে। গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের আটটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে।

এ ঘটনার পর চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট কেনা ডলারের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ক্রয়ের পরিমাণ হয়েছে ৫৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

মুদ্রাবাজারকে বাজারভিত্তিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে দর স্থিতিশীল রাখতে গত বছরের ১৩ জুলাই থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে। রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় বৃদ্ধির ফলে বাজারে ডলারের দর অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে; সেটি এড়াতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ডলার সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, মঙ্গলবার করা এই ক্রয় নিলামের মাধ্যমে করা হয়েছে এবং প্রতিবারই বাজার স্বাভাবিক রাখতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। ওই নিলামে ডলারের ক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। তিনি জানান, ক্রয় প্রক্রিয়াটি ফরেন এক্সচেঞ্জ নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত এই ক্রয়ের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং বাজারে ডলারের অস্বাভাবিক দরপতন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে। ফলত আমদানি ও রেমিট্যান্সভিত্তিক লেনদেনেও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নিলামভিত্তিক ক্রয় নীতি ভবিষ্যতেও বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা, যাতে বিনিময় হার অনির্দিষ্ট চড়াই-উতরাই থেকে রক্ষিত থাকে এবং বাজারে যথাসম্ভব সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।