১০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করার সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংক সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে সেগুলো পুনরায় সচল করতে ব্যাংক প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা দেবে—এমন তথ্য জানিয়েছেন নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই সময় ডেপুটি গভর্নরসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে অভিনন্দন জানান। দায়িত্ব নেয়ার পর গভর্নর সংক্ষেপে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘আগে কাজ, পরে কথা।’’’ এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে যান।

বৈঠক-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থনীতি যাতে প্রবৃদ্ধিমুখী ও কর্মসংস্থানবন্ধনীয় হয় সেই লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় নীতিগত সমন্বয় করা হবে। বন্ধ হয়ে পড়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করতে নীতি সহায়তা, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ে। তিনি জানান, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে তোলাই সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অগ্রাধিক্য।

মুখপাত্র আরও বলেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করে রাখা উচ্চ সুদের হার পুনরায় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গভর্নর জানিয়েছেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি নিয়মভিত্তিক ও বৈষম্যহীন করা হবে। কাজের গতি বাড়াতে ‘‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে।

নতুন গভর্নরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ভিত্তিকেই দ্রুততার সঙ্গে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করার সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর

প্রকাশিতঃ ১০:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে সেগুলো পুনরায় সচল করতে ব্যাংক প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা দেবে—এমন তথ্য জানিয়েছেন নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই সময় ডেপুটি গভর্নরসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে অভিনন্দন জানান। দায়িত্ব নেয়ার পর গভর্নর সংক্ষেপে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘আগে কাজ, পরে কথা।’’’ এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে যান।

বৈঠক-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থনীতি যাতে প্রবৃদ্ধিমুখী ও কর্মসংস্থানবন্ধনীয় হয় সেই লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় নীতিগত সমন্বয় করা হবে। বন্ধ হয়ে পড়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করতে নীতি সহায়তা, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ে। তিনি জানান, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে তোলাই সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অগ্রাধিক্য।

মুখপাত্র আরও বলেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করে রাখা উচ্চ সুদের হার পুনরায় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গভর্নর জানিয়েছেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি নিয়মভিত্তিক ও বৈষম্যহীন করা হবে। কাজের গতি বাড়াতে ‘‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে।

নতুন গভর্নরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ভিত্তিকেই দ্রুততার সঙ্গে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে।