০৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

হাইকোর্ট রুল: ধারা ৬(গ) সম্পর্কে সংবিধানসম্মততা যাচাই, আমদানি করা ই-সিগারেট না জব্দের নির্দেশ

হাইকোর্ট ধারা ৬(গ) কেন অসাংবিধানিক বা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন এবং একই সঙ্গে দেশে ইতোমধ্যে আমদানি করা ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বাণিজ্য সচিব, কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে পরিচালনায় থাকতে বলা হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রিটপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৬(গ) ধারা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ও অন্যান্য ইমার্জিং টোব্যাকো পণ্য নিষিদ্ধ করেছে।

আইনের উপধারা (১)-এ বলা আছে, কোনো ব্যক্তি ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম এবং তার যন্ত্রাংশ বা অংশবিশেষ—যেমন ই-সিগারেট, ভ্যাপ, ভ্যাপিং, ভ্যাপার, ই-লিকুইড—বা হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্টস বা অন্যান্য ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টস যেই নামে হোক না কেন তা উৎপাদন, আমদানি, রফতানি, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপন, প্রচারণা, প্রণোদনা, পৃষ্ঠপোষকতা, বিপণন, বিতরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করবেন না বা করাবেন না।

উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়া যাবে। একই ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি হলে শাস্তির পরিমাণ ধাপে ধাপে দ্বিগুণ করা হবে।

মাসদুজ্জামানসহ ৪১ জন ব্যবসায়ী এই ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে এবং দেশেই ইতোমধ্যে আমদানি হওয়া ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দ করার বিষয়ে স্থিতাবস্থা (ইনটারিম রিলিফ) برقرار রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানিতে আদালত এই ধারার সাংবিধানিকতা ও বৈধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাইকোর্ট রুল: ধারা ৬(গ) সম্পর্কে সংবিধানসম্মততা যাচাই, আমদানি করা ই-সিগারেট না জব্দের নির্দেশ

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

হাইকোর্ট ধারা ৬(গ) কেন অসাংবিধানিক বা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন এবং একই সঙ্গে দেশে ইতোমধ্যে আমদানি করা ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বাণিজ্য সচিব, কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে পরিচালনায় থাকতে বলা হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রিটপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৬(গ) ধারা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ও অন্যান্য ইমার্জিং টোব্যাকো পণ্য নিষিদ্ধ করেছে।

আইনের উপধারা (১)-এ বলা আছে, কোনো ব্যক্তি ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম এবং তার যন্ত্রাংশ বা অংশবিশেষ—যেমন ই-সিগারেট, ভ্যাপ, ভ্যাপিং, ভ্যাপার, ই-লিকুইড—বা হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্টস বা অন্যান্য ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টস যেই নামে হোক না কেন তা উৎপাদন, আমদানি, রফতানি, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপন, প্রচারণা, প্রণোদনা, পৃষ্ঠপোষকতা, বিপণন, বিতরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করবেন না বা করাবেন না।

উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়া যাবে। একই ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি হলে শাস্তির পরিমাণ ধাপে ধাপে দ্বিগুণ করা হবে।

মাসদুজ্জামানসহ ৪১ জন ব্যবসায়ী এই ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে এবং দেশেই ইতোমধ্যে আমদানি হওয়া ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দ করার বিষয়ে স্থিতাবস্থা (ইনটারিম রিলিফ) برقرار রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানিতে আদালত এই ধারার সাংবিধানিকতা ও বৈধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।