০২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে জামায়াত

ইরানে সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে এবং সেখানে চলছে এমন সামরিক সহিংসতার তীব্র নিন্দায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে দলের নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ইরানে চলমান হামলা অবিলম্বে বন্ধ না করা হয়, তবে জামায়াত ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। তিনি একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলের পণ্য বয়কটের আহ্বান জানান।

সমাবেশে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ইরানের জনগণের ইচ্ছার বিরূদ্ধে গিয়ে যেভাবে হামলা চালানো হচ্ছে তা গণতন্ত্রবিরোধী ও বর্বরতামূলক। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে বলেন এবং বিশ্ব যে সংকটময় মুহূর্ত পার করছে সেখানে এসব সংস্থা ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়ায় ব্যর্থ হলে সাধারণ মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে বলে সতর্ক করেন। বর্তমান নড়চড় অবস্থা বিবেচনা করে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সমাবেশে বলেন, মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসন বন্ধ করাতে জাতিসংঘকে কার্যকরি ভূমিকা নিতে হবে। তিনি আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ঘটতি ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

সমাবেশে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর নিয়ে জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার তীব্র নিন্দাও জানানো হয়; দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের ব্যবস্থা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো মুসলিম দেশগুলোকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এবং খামেনি হত্যা–সংক্রান্ত ঘটনা শুধুমাত্র ইরানের ক্ষতি নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য তা গভীর আঘাত। তাই তারা মুসলিম দেশের নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে এসে এই সংকট নিরসনে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে কনিষ্ঠ একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে ঊঠে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। মিছিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দেয়া হয় এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে জামায়াত কর্মীরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে জামায়াত

প্রকাশিতঃ ০৮:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ইরানে সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে এবং সেখানে চলছে এমন সামরিক সহিংসতার তীব্র নিন্দায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে দলের নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ইরানে চলমান হামলা অবিলম্বে বন্ধ না করা হয়, তবে জামায়াত ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। তিনি একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলের পণ্য বয়কটের আহ্বান জানান।

সমাবেশে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ইরানের জনগণের ইচ্ছার বিরূদ্ধে গিয়ে যেভাবে হামলা চালানো হচ্ছে তা গণতন্ত্রবিরোধী ও বর্বরতামূলক। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে বলেন এবং বিশ্ব যে সংকটময় মুহূর্ত পার করছে সেখানে এসব সংস্থা ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়ায় ব্যর্থ হলে সাধারণ মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে বলে সতর্ক করেন। বর্তমান নড়চড় অবস্থা বিবেচনা করে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সমাবেশে বলেন, মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসন বন্ধ করাতে জাতিসংঘকে কার্যকরি ভূমিকা নিতে হবে। তিনি আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ঘটতি ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

সমাবেশে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর নিয়ে জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার তীব্র নিন্দাও জানানো হয়; দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের ব্যবস্থা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো মুসলিম দেশগুলোকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এবং খামেনি হত্যা–সংক্রান্ত ঘটনা শুধুমাত্র ইরানের ক্ষতি নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য তা গভীর আঘাত। তাই তারা মুসলিম দেশের নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে এসে এই সংকট নিরসনে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে কনিষ্ঠ একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে ঊঠে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। মিছিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দেয়া হয় এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে জামায়াত কর্মীরা।