০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

ডিএসসিসির বিশেষ উদ্যোগ: প্রতি শনিবার পালিত হবে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জনদুর্ভোগ ও বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানে নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে এখন থেকে প্রতিটি শনিবার ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ পালিত হবে। এই দিনগুলোতে সাধারণ নাগরিকরা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়া সরাসরি ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে তাঁদের সমস্যা ও অভিযোগ তুলে ধরতে পারবেন।

সরকারের সাম্প্রতিক এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিএসসিসির বর্তমান প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, নগর ভবনে তাঁর নিজ কার্যালয়ে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি মতবিনিময়ের জন্য এই দিনগুলো নির্ধারণ করেছেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য নগর ভবনের দরজা আরও উন্মুক্ত হবে এবং তাদের অভিযোগ দ্রুত শুনে সমাধান করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। মূল লক্ষ্য হলো নাগরিক সেবা মানে উন্নয়ন এবং চলমান সমস্যা সমাধানে সরাসরি জনগণের মতামত গ্রহণ।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, প্রতিটি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত (রমজান মাসে) এবং অন্যান্য সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। মানুষ রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থা, ড্রেনেজ সমস্যা, মশা নিয়ন্ত্রণ বা আবর্জনা ফেলার অভিযোগ সরাসরি প্রশাসকের কাছে জানাতে পারবেন। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, অভিযোগের মধ্যে উপস্থিতি বা দ্রুত সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রশাসক মো. আবদুস সালাম সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করেছেন এই ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ তে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত থাকার জন্য। তিনি বিশ্বাস করেন, সরাসরি মতামত গ্রহণ করে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে, একই সঙ্গে নাগরিকের সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে। এই উদ্যোগটি ডিএসসিসির প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সচেতন নগরবাসীর কাছ থেকেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিএসসিসির বিশেষ উদ্যোগ: প্রতি শনিবার পালিত হবে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জনদুর্ভোগ ও বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানে নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে এখন থেকে প্রতিটি শনিবার ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ পালিত হবে। এই দিনগুলোতে সাধারণ নাগরিকরা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়া সরাসরি ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে তাঁদের সমস্যা ও অভিযোগ তুলে ধরতে পারবেন।

সরকারের সাম্প্রতিক এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিএসসিসির বর্তমান প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, নগর ভবনে তাঁর নিজ কার্যালয়ে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি মতবিনিময়ের জন্য এই দিনগুলো নির্ধারণ করেছেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য নগর ভবনের দরজা আরও উন্মুক্ত হবে এবং তাদের অভিযোগ দ্রুত শুনে সমাধান করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। মূল লক্ষ্য হলো নাগরিক সেবা মানে উন্নয়ন এবং চলমান সমস্যা সমাধানে সরাসরি জনগণের মতামত গ্রহণ।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, প্রতিটি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত (রমজান মাসে) এবং অন্যান্য সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। মানুষ রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থা, ড্রেনেজ সমস্যা, মশা নিয়ন্ত্রণ বা আবর্জনা ফেলার অভিযোগ সরাসরি প্রশাসকের কাছে জানাতে পারবেন। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, অভিযোগের মধ্যে উপস্থিতি বা দ্রুত সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রশাসক মো. আবদুস সালাম সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করেছেন এই ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ তে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত থাকার জন্য। তিনি বিশ্বাস করেন, সরাসরি মতামত গ্রহণ করে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে, একই সঙ্গে নাগরিকের সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে। এই উদ্যোগটি ডিএসসিসির প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সচেতন নগরবাসীর কাছ থেকেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।