১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ছুটির দিনেও তেজগাঁওয়ে অফিসে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফিলিং স্টেশনে ভিড় অব্যাহত, যানবাহীর লাইন প্রতিদিন দীর্ঘ হচ্ছে সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী তথ্যমন্ত্রীর মতে, স্পিকারকে অভিভাবক মনে করে এগিয়ে যাবেন এমপিরা চট্টগ্রামে নাশকতার মামলায় সাবেক শিবির নেতা গ্রেপ্তার আজও ছুটির দিনে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফিলিং স্টেশনে ভিড় কমছে না, যানবাহনের লাইনে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেলো চাপ ফিলিং স্টেশনে ভিড় কমেনি; লম্বা হচ্ছে যানবাহ্যের সারি ছুটির দিনেও অফিসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ৮০ হাজার নারী থাকবেন

সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী

দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী ও সর্বজনীন করার লক্ষ্যে সরকার একটি বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই বৃহৎ নিয়োগ প্রকল্পে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং মোট পদের মধ্যে ৮০ হাজারই নারী থাকবেন। মূলত তৃণমূল স্তরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বা প্রাইমারি হেলথকেয়ার সিস্টেমকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী এও জানান যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি আলোচিত করেন, দেশে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এর প্রয়োজনীয় কাঠামো গড়ে তোলার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকবে, যা চিকিৎসা সেবা প্রদানকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিখুঁত করবে। তিনি মনে করেন, দক্ষ জনবল নিয়োগের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে, স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্বীকার করেন যে, এই খাতের অনেক অংশই দুর্নীতির শিকার। সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি সঠিক তদারকি ও কঠোর নজরদারি না করা হয়, তবে এই উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বা প্রকল্প দুর্নীতির আড্ডায় পরিণত হতে পারে। তাই সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতে তিনি একটি কার্যকর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তাঁর মতে, এরআগে অনেক ভাল উদ্যোগ নেয়া হলেও তদারকির অভাবে তা ব্যর্থ হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও এড়ানো হবে। হাসপাতালের অভ্যন্তরীন অস্থিরতা নিয়েও তিনি কঠোর সতর্কবার্তা দেন। বলেন, সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্রের অনুপ্রবেশের কারণে রোগীরা নানা ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন, পাশাপাশি চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়মিত থাকছে না বলে তিনি নজর দেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোগীদের দ্রুত ও মানসম্পন্ন সেবা প্রদানে হাসপাতালগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং চিকিৎসকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। এই বিশাল কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হবে, এমন আস্থা প্রকাশ করেন তিনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ফিলিং স্টেশনে ভিড় অব্যাহত, যানবাহীর লাইন প্রতিদিন দীর্ঘ হচ্ছে

সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী ও সর্বজনীন করার লক্ষ্যে সরকার একটি বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই বৃহৎ নিয়োগ প্রকল্পে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং মোট পদের মধ্যে ৮০ হাজারই নারী থাকবেন। মূলত তৃণমূল স্তরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বা প্রাইমারি হেলথকেয়ার সিস্টেমকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী এও জানান যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি আলোচিত করেন, দেশে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এর প্রয়োজনীয় কাঠামো গড়ে তোলার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকবে, যা চিকিৎসা সেবা প্রদানকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিখুঁত করবে। তিনি মনে করেন, দক্ষ জনবল নিয়োগের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে, স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্বীকার করেন যে, এই খাতের অনেক অংশই দুর্নীতির শিকার। সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি সঠিক তদারকি ও কঠোর নজরদারি না করা হয়, তবে এই উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বা প্রকল্প দুর্নীতির আড্ডায় পরিণত হতে পারে। তাই সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতে তিনি একটি কার্যকর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তাঁর মতে, এরআগে অনেক ভাল উদ্যোগ নেয়া হলেও তদারকির অভাবে তা ব্যর্থ হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও এড়ানো হবে। হাসপাতালের অভ্যন্তরীন অস্থিরতা নিয়েও তিনি কঠোর সতর্কবার্তা দেন। বলেন, সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্রের অনুপ্রবেশের কারণে রোগীরা নানা ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন, পাশাপাশি চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়মিত থাকছে না বলে তিনি নজর দেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোগীদের দ্রুত ও মানসম্পন্ন সেবা প্রদানে হাসপাতালগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং চিকিৎসকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। এই বিশাল কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হবে, এমন আস্থা প্রকাশ করেন তিনি।