০৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

ইরানি সংবাদমাধ্যমে নেতানিয়াহু নিহতের দাবি, কোনও প্রমাণ মেলেনি

ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ সম্প্রতি দাবি করেছে যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন এবং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন। তবে এই খবরের পক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তাসনিমের রিপোর্টটি মূলত একটি অনলাইন পোস্টকে উদ্ধৃত করেছে, যেটি স্কট রিটার নামে এক ব্যক্তি বা অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত বলে দেখানো হয়েছে। সেই পোস্টের প্রকৃতি ও উৎস নিয়ে সংশয় থাকায়, এটি আসল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। রিপোর্টে নেতানিয়াহুর মৃত্যুর কোনো ছবি বা স্পষ্ট প্রামাণ্য দলিল উপস্থাপন করা হয়নি।

প্রতিবেদনটিতে কিছু পরোক্ষ বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে—যেমন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপের অনুপস্থিতি, তার বাসভবনের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা, এবং মার্কিন ও ফরাসি কর্মকর্তাদের সফর ও ফোনালাপ সম্পর্কিত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে—তবে এগুলোও সরাসরি মৃত্যু প্রমাণ করে না।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর এখনও এই দাবির ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭ মার্চ নেতানিয়াহু ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন—এটি বিবেচনায় রেখে ঘটনার আরও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার জন্য অফিসিয়াল বিবৃতি অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এ ধরনের দাবি নতুন নয়; এর আগে ২ মার্চেও কিছু ইরানি সংবাদমাধ্যম নেতানিয়াহুর মৃত্যু দাবি করেছিল, যা পরে চীনের সিনহুয়া সহ অনেক সংবাদমাধ্যম ও যাচাইকারক প্রতিষ্ঠান গুজব বলে উল্লেখ করেছিল।

বর্তমানে এই বিষয়টি অনিশ্চিত এবং যাচাই অগ্রাধিকার। পাঠকরা সরকারি সূত্র বা স্বাধীন প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের দাবিকে সন্দেহের চোখে দেখতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানি সংবাদমাধ্যমে নেতানিয়াহু নিহতের দাবি, কোনও প্রমাণ মেলেনি

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ সম্প্রতি দাবি করেছে যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন এবং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন। তবে এই খবরের পক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তাসনিমের রিপোর্টটি মূলত একটি অনলাইন পোস্টকে উদ্ধৃত করেছে, যেটি স্কট রিটার নামে এক ব্যক্তি বা অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত বলে দেখানো হয়েছে। সেই পোস্টের প্রকৃতি ও উৎস নিয়ে সংশয় থাকায়, এটি আসল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। রিপোর্টে নেতানিয়াহুর মৃত্যুর কোনো ছবি বা স্পষ্ট প্রামাণ্য দলিল উপস্থাপন করা হয়নি।

প্রতিবেদনটিতে কিছু পরোক্ষ বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে—যেমন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপের অনুপস্থিতি, তার বাসভবনের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা, এবং মার্কিন ও ফরাসি কর্মকর্তাদের সফর ও ফোনালাপ সম্পর্কিত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে—তবে এগুলোও সরাসরি মৃত্যু প্রমাণ করে না।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর এখনও এই দাবির ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭ মার্চ নেতানিয়াহু ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন—এটি বিবেচনায় রেখে ঘটনার আরও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার জন্য অফিসিয়াল বিবৃতি অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এ ধরনের দাবি নতুন নয়; এর আগে ২ মার্চেও কিছু ইরানি সংবাদমাধ্যম নেতানিয়াহুর মৃত্যু দাবি করেছিল, যা পরে চীনের সিনহুয়া সহ অনেক সংবাদমাধ্যম ও যাচাইকারক প্রতিষ্ঠান গুজব বলে উল্লেখ করেছিল।

বর্তমানে এই বিষয়টি অনিশ্চিত এবং যাচাই অগ্রাধিকার। পাঠকরা সরকারি সূত্র বা স্বাধীন প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের দাবিকে সন্দেহের চোখে দেখতে অনুরোধ করা হচ্ছে।