০৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৪০ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

ইরান ও ইসরায়েল—মার্কিন যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষের তীব্রতায় মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন ৪০,০০০-এর বেশি মার্কিন নাগরিক। স্টেট ডিপার্টমেন্ট গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এতসংখ্যক নাগরিককে নিরাপদভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

সহকারী সচিব ডিলান জনসনের বরাত দিয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গত সোমবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে গণনা করলে সংখ্যাটি ছিল প্রায় ৩৬,০০০, যা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বাড়ে এবং এখন ৪০,০০০ ছাড়িয়েছে। নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের কাজে মার্কিন প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

সরকারি পর্যায়ে এখন পর্যন্ত দুই ডজনেরও বেশি বিশেষ চার্টার ফ্লাইটের আয়োজন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট সীমিত হওয়ায় উদ্ধারকাজে বিশেষ বাস ও চার্টার ফ্লাইটের ওপর নির্ভর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রায় ২৭,০০০ আমেরিকানকে সরাসরি নিরাপত্তা নির্দেশনা ও যাতায়াত-সংক্রান্ত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ডিলান জনসন জানিয়েছেন, অঞ্চলে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচলে ধীরে ধীরে কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

হুমকিপূর্ণ পরিস্থিতির পটভূমিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান—‘অপারেশন এপিক ফিউরি’—শুরু হওয়ার পর থেকে অঞ্চলটি ব্যাপকভাবে অস্থির হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কিছু রিপোর্টে হামলায় হতাহতের সংখ্যা ১,২০০-এরও বেশি উল্লেখ করা হয়েছে; তবে এসব সংখ্যার স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য যাচাই এখনো সীমিত।

ইরানও পাল্টা আচরণ করেছে—ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে। এ সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত আটজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ পেয়েছে।

ডিলান জনসন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, স্টেট ডিপার্টমেন্ট মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে ইচ্ছুক প্রতিটি মার্কিন নাগরিককে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই উদ্ধার অভিযান কয়েক দিন আরও চলতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৪০ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

প্রকাশিতঃ ০৫:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরান ও ইসরায়েল—মার্কিন যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষের তীব্রতায় মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন ৪০,০০০-এর বেশি মার্কিন নাগরিক। স্টেট ডিপার্টমেন্ট গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এতসংখ্যক নাগরিককে নিরাপদভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

সহকারী সচিব ডিলান জনসনের বরাত দিয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গত সোমবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে গণনা করলে সংখ্যাটি ছিল প্রায় ৩৬,০০০, যা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বাড়ে এবং এখন ৪০,০০০ ছাড়িয়েছে। নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের কাজে মার্কিন প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

সরকারি পর্যায়ে এখন পর্যন্ত দুই ডজনেরও বেশি বিশেষ চার্টার ফ্লাইটের আয়োজন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট সীমিত হওয়ায় উদ্ধারকাজে বিশেষ বাস ও চার্টার ফ্লাইটের ওপর নির্ভর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রায় ২৭,০০০ আমেরিকানকে সরাসরি নিরাপত্তা নির্দেশনা ও যাতায়াত-সংক্রান্ত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ডিলান জনসন জানিয়েছেন, অঞ্চলে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচলে ধীরে ধীরে কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

হুমকিপূর্ণ পরিস্থিতির পটভূমিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান—‘অপারেশন এপিক ফিউরি’—শুরু হওয়ার পর থেকে অঞ্চলটি ব্যাপকভাবে অস্থির হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কিছু রিপোর্টে হামলায় হতাহতের সংখ্যা ১,২০০-এরও বেশি উল্লেখ করা হয়েছে; তবে এসব সংখ্যার স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য যাচাই এখনো সীমিত।

ইরানও পাল্টা আচরণ করেছে—ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে। এ সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত আটজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ পেয়েছে।

ডিলান জনসন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, স্টেট ডিপার্টমেন্ট মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে ইচ্ছুক প্রতিটি মার্কিন নাগরিককে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই উদ্ধার অভিযান কয়েক দিন আরও চলতে পারে।