০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার ঘটনা তদন্ত করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করার ঘটনায় সরকার এখন আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে চলেছে। মিরপুরের এক অনুষ্ঠানের পরে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

প্রতিমন্ত্রীর বলেন, কেন এবং কী পরিস্থিতির ফলে বাংলাদেশ এই মেগা ইভেন্টে খেলতে পারেনি—সেগুলো খতিয়ে দেখতেই একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে খোঁজা হবে এটা ক্রীড়া কূটনীতির ব্যর্থতা নাকি প্রশাসনিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে এমন অপ্রত্যাশিত ফল হয়েছে।

ঘটনাক্রম অনুসারে, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রথমে ভারতের ভেন্যুতে খেলা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর বিসিবি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তবে আইসিসি সেই অনুরোধ আমলে নেয়নি এবং জানিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে নির্ধারিত ভেন্যুতেই খেলতে হবে। এই অচলাবস্থায় অ্যাসোসিয়েশনটি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে—যা বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক পরিস্থিতিটিকে ‘ক্রীড়া কূটনীতির অভাব’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং জানান, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তিনি বলেন, কমিটি ঘটনার প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করবে—কোথায় সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল, কার দায়িত্ব কি ছিল, কেন কূটনৈতিকভাবে আইসিসিকে রাজি করানো যায়নি—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া হবে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রতিনিধি বলেছেন, রিপোর্টের ভিত্তিতে ক্রিকেট বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন মনে হলে প্রশাসনিক বদল বা নতুন নীতিমালা আনার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চ থেকে খেলার সুযোগ হাতছাড়া হওয়াকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন তদন্তের ফল ও সরকারের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যতে এমন অনভিপ্রেত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার ঘটনা তদন্ত করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করার ঘটনায় সরকার এখন আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে চলেছে। মিরপুরের এক অনুষ্ঠানের পরে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

প্রতিমন্ত্রীর বলেন, কেন এবং কী পরিস্থিতির ফলে বাংলাদেশ এই মেগা ইভেন্টে খেলতে পারেনি—সেগুলো খতিয়ে দেখতেই একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে খোঁজা হবে এটা ক্রীড়া কূটনীতির ব্যর্থতা নাকি প্রশাসনিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে এমন অপ্রত্যাশিত ফল হয়েছে।

ঘটনাক্রম অনুসারে, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রথমে ভারতের ভেন্যুতে খেলা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর বিসিবি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তবে আইসিসি সেই অনুরোধ আমলে নেয়নি এবং জানিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে নির্ধারিত ভেন্যুতেই খেলতে হবে। এই অচলাবস্থায় অ্যাসোসিয়েশনটি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে—যা বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক পরিস্থিতিটিকে ‘ক্রীড়া কূটনীতির অভাব’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং জানান, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তিনি বলেন, কমিটি ঘটনার প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করবে—কোথায় সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল, কার দায়িত্ব কি ছিল, কেন কূটনৈতিকভাবে আইসিসিকে রাজি করানো যায়নি—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া হবে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রতিনিধি বলেছেন, রিপোর্টের ভিত্তিতে ক্রিকেট বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন মনে হলে প্রশাসনিক বদল বা নতুন নীতিমালা আনার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চ থেকে খেলার সুযোগ হাতছাড়া হওয়াকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন তদন্তের ফল ও সরকারের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যতে এমন অনভিপ্রেত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।