০২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলা: আফগান ক্রিকেটাররা ভারতের সাহায্য চাইছেন

কাবুলে একটি হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪০০ জনের প্রাণহানির খবরের পর আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে সরব হয়েছেন আফগান ক্রিকেটের উদীয়মান তারকা এএম גজনফর।

আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলতে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ১৯ বছর বয়সী গজনফর ভারতের প্রতি নিজেদের ‘সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও অকৃত্রিম বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দিল্লির সরাসরি সহায়তা ও হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র—যেখানে অসহায় মানুষ চিকিৎসার শেষ আশা রাখে—সেরকম একটি স্থলে হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এবং এই ঘটনা গভীরভাবে অপমানজনক।

গজনফর পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেন, আফগানিস্তানের গৌরবময় ইতিহাস আছে এবং যদি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে তা পাকিস্তানের জন্য ভয়াবহ ফল নিয়ে আসতে পারে। এই দৃঢ় প্রতিক্রিয়ার আগে রশিদ খান ও নাভিন-উল-হকসহ অন্যান্য তারকা ক্রিকেটাররাও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন; রশিদ হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়েছেন এবং নাভিন বর্তমান পরিস্থিতিকে নজিরবিহীন ও নির্মম বলে অভিহিত করেছেন।

পক্ষান্তরে পাকিস্তান দাবি করেছে যে তারা বেসামরিক স্থাপনাই টার্গেট করেনি, বরং সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী আস্তানা ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। আফগান পক্ষ—তথা তালেবান সরকার—এই ঘটনার দায় পাকিস্তানের উপর চাপিয়েছে, আর পাকিস্তান এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

গজনফরসহ অনেক ক্রিকেটার ও সাধারণ মানুষ বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য, যাতে এই মানবিক বিপর্যয় রোধ করা যায় এবং আহত ও নির্যাতিত মানুষের পাশে আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলা: আফগান ক্রিকেটাররা ভারতের সাহায্য চাইছেন

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

কাবুলে একটি হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪০০ জনের প্রাণহানির খবরের পর আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে সরব হয়েছেন আফগান ক্রিকেটের উদীয়মান তারকা এএম גজনফর।

আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলতে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ১৯ বছর বয়সী গজনফর ভারতের প্রতি নিজেদের ‘সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও অকৃত্রিম বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দিল্লির সরাসরি সহায়তা ও হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র—যেখানে অসহায় মানুষ চিকিৎসার শেষ আশা রাখে—সেরকম একটি স্থলে হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এবং এই ঘটনা গভীরভাবে অপমানজনক।

গজনফর পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেন, আফগানিস্তানের গৌরবময় ইতিহাস আছে এবং যদি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে তা পাকিস্তানের জন্য ভয়াবহ ফল নিয়ে আসতে পারে। এই দৃঢ় প্রতিক্রিয়ার আগে রশিদ খান ও নাভিন-উল-হকসহ অন্যান্য তারকা ক্রিকেটাররাও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন; রশিদ হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়েছেন এবং নাভিন বর্তমান পরিস্থিতিকে নজিরবিহীন ও নির্মম বলে অভিহিত করেছেন।

পক্ষান্তরে পাকিস্তান দাবি করেছে যে তারা বেসামরিক স্থাপনাই টার্গেট করেনি, বরং সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী আস্তানা ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। আফগান পক্ষ—তথা তালেবান সরকার—এই ঘটনার দায় পাকিস্তানের উপর চাপিয়েছে, আর পাকিস্তান এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

গজনফরসহ অনেক ক্রিকেটার ও সাধারণ মানুষ বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য, যাতে এই মানবিক বিপর্যয় রোধ করা যায় এবং আহত ও নির্যাতিত মানুষের পাশে আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়।