০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ দেড় যুগ পর ফিরে আসছে স্বাধীনতা দিবসে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ ডেপুটি স্পিকারের স্বেচ্ছাসেবীদের মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান ঈদের সফরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় রূপগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈদ ছুটির পর মঙ্গলবার থেকে অফিস, আদালত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতায় পেট্রোলপাম্প বন্ধের আশঙ্কা ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডন যাত্রা করেছেন ঈদে সুন্দরবন: চমকপ্রদ ভ্রমণগন্তব্য হতে যাচ্ছে ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডন গেলেন কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক

দেড় যুগ পর ফিরে আসছে স্বাধীনতা দিবসে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ

প্রায় দেড় যুগের বিরতির পর এবার স্বাধীনতা দিবসে আবারও ফিরে আসছে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ। আগে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত হত এই বর্ণাঢ্য আয়োজন, এবার তা জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে এবং স্থল-আকাশ উভয় পথেই দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রদর্শিত হবে।

আগামী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে সেনা, নৌবহিনী ও বিমানবাহিনীর যৌথ অংশগ্রহণে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে কয়েক দফা মহড়া শেষ করেছেন, যাতে প্রতিটি ইউনিট সুসংগঠিত ও সময় মত প্রদর্শন করতে পারে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সালাম গ্রহণ করবেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য—দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাহিনীর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা জনগণের সামনে উপস্থাপন করা।

প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করবেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আসাদুল হক। কুচকাওয়াজের শুরু হবে প্যারেড কমান্ডারের ঘোড়াযোগের ভাঁজাভর্তি অভিসার থেকে, এরপর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্ট তাদের কুশলতা প্রদর্শন করবে।

আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা বহন করে গ্রাউন্ডে অবতরণ করবেন এবং বিমানবাহিনী তাদের কৌশলগত দক্ষতার প্রদর্শনী দেখাবে। অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করতে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানিয়ে আকাশে প্রদর্শনী করবে।

কুচকাওয়াজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অংশ নেবেন, যার মাধ্যমে এককালের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনটি আরও ব্যাপক ও দৃশ্যমানভাবে ফিরে এসেছে। অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সাধারণ দর্শকও এই অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘসময় পর ফিরে আসা এই কুচকাওয়াজ স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ ও বর্ণিল করে তুলবে এবং জনসাধারণের কাছে দেশের সামরিক প্রস্তুতির দৃশ্যমান বার্তা পৌঁছে দেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ

দেড় যুগ পর ফিরে আসছে স্বাধীনতা দিবসে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

প্রায় দেড় যুগের বিরতির পর এবার স্বাধীনতা দিবসে আবারও ফিরে আসছে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ। আগে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত হত এই বর্ণাঢ্য আয়োজন, এবার তা জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে এবং স্থল-আকাশ উভয় পথেই দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রদর্শিত হবে।

আগামী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে সেনা, নৌবহিনী ও বিমানবাহিনীর যৌথ অংশগ্রহণে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে কয়েক দফা মহড়া শেষ করেছেন, যাতে প্রতিটি ইউনিট সুসংগঠিত ও সময় মত প্রদর্শন করতে পারে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সালাম গ্রহণ করবেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য—দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাহিনীর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা জনগণের সামনে উপস্থাপন করা।

প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করবেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আসাদুল হক। কুচকাওয়াজের শুরু হবে প্যারেড কমান্ডারের ঘোড়াযোগের ভাঁজাভর্তি অভিসার থেকে, এরপর বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্ট তাদের কুশলতা প্রদর্শন করবে।

আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা বহন করে গ্রাউন্ডে অবতরণ করবেন এবং বিমানবাহিনী তাদের কৌশলগত দক্ষতার প্রদর্শনী দেখাবে। অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করতে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানিয়ে আকাশে প্রদর্শনী করবে।

কুচকাওয়াজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অংশ নেবেন, যার মাধ্যমে এককালের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনটি আরও ব্যাপক ও দৃশ্যমানভাবে ফিরে এসেছে। অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সাধারণ দর্শকও এই অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘসময় পর ফিরে আসা এই কুচকাওয়াজ স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ ও বর্ণিল করে তুলবে এবং জনসাধারণের কাছে দেশের সামরিক প্রস্তুতির দৃশ্যমান বার্তা পৌঁছে দেবে।