০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকার গঠনের পর প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে তারেক রহমান; নেতা–কর্মীদের উল্লাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছেছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর কার্যালয়ের সামনে থামে এবং বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী তাকে স্লোগান-আশীর্বাদ করে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান। পরে সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও ভবনে প্রবেশ করেন।

তারেক রহমানের গাড়ি এসে থামার পর তিনি গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে সমর্থকদের হাতে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। এক পর্যায়ে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময় আলাপন করেন।

বিকেলে দলীয় কার্যালয় এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ও বিভাজকের উপরে সাজিয়ে দাঁড়িয়েছেন নেতা–কর্মীরা। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ প্রায় সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের স্লোগান ছিল, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা, স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপে শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরণের সমর্থনসূচক ব্যানার।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দেয়; গাড়িগুলো কার্যত এক লাইনে চলছিল। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগেও আমরা এখানে আসতে পারতাম না। পুলিশে তাড়াত, গ্রেপ্তার করত। আর আজকে… আল্লাহ চাইলে কী না পারে।” সমগ্র ঘটনা কাটতেও ছিল উৎসবমুখী উচ্ছ্বাস ও সতর্কতার মিশ্র অনুভূতি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার গঠনের পর প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে তারেক রহমান; নেতা–কর্মীদের উল্লাস

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছেছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর কার্যালয়ের সামনে থামে এবং বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী তাকে স্লোগান-আশীর্বাদ করে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান। পরে সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও ভবনে প্রবেশ করেন।

তারেক রহমানের গাড়ি এসে থামার পর তিনি গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে সমর্থকদের হাতে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। এক পর্যায়ে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময় আলাপন করেন।

বিকেলে দলীয় কার্যালয় এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ও বিভাজকের উপরে সাজিয়ে দাঁড়িয়েছেন নেতা–কর্মীরা। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ প্রায় সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের স্লোগান ছিল, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা, স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপে শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরণের সমর্থনসূচক ব্যানার।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দেয়; গাড়িগুলো কার্যত এক লাইনে চলছিল। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগেও আমরা এখানে আসতে পারতাম না। পুলিশে তাড়াত, গ্রেপ্তার করত। আর আজকে… আল্লাহ চাইলে কী না পারে।” সমগ্র ঘটনা কাটতেও ছিল উৎসবমুখী উচ্ছ্বাস ও সতর্কতার মিশ্র অনুভূতি।