০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুর্যোগ প্রতিরোধে আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। তিনি এই তথ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিনে বলেন; অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

মন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশের বন্যাপ্রবণ ৪৩টি জেলায় ২৫৮টি উপজেলার মধ্যে ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও ১২৮টি নির্মাণ করা হবে। উপকূলীয় ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় ৯০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে মোট ১১৫টি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে এবং আরও ১২২টি নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও সরে যাওয়ার পথ নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে ১২ হাজার ২৪৫টি সেতু/কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও ২ হাজার ৩৬টি সেতু/কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ৬ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার HBB রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে; ভবিষ্যতে আরও এক হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

দুর্যোগকালে দ্রুত ও কার্যকর উদ্ধারকাজের জন্য দেশের ১২টি জেলার ৩৫টি উপজেলায় টেলিকম্যুনিকেশন যন্ত্রপাতি, ফায়ার ফাইটিং সরঞ্জাম, রেডিও সেট, ১২টি রেসকিউ বোট এবং ৪১৩টি শ্যালো ওয়াটার রিসোর্স বোট ক্রয়ের লক্ষ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে ১১টি এরিয়াল প্ল্যাটফর্ম ল্যাডার হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া তিনটি ফর্কলিফ্ট, তিনটি ২০ টন ডোজার এবং তিনটি ৪৮ টন ডোজার অ্যার্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে দেওয়া হয়েছে। সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আরও অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম, তাবু, এয়ার বোট, স্পিডবোট, ইমার্জেন্সি রেসপন্স ভেহিকেল, সার্চ এন্ড রেসকিউ ইকুইপমেন্ট ও টেলিকমিউনিকেশন যন্ত্রপাতিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, অ্যার্মড ফোর্সেস ডিভিশন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে বিতরণ করবে।

মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং দুর্যোগকালীন প্রতি থেকে দ্রুত সাড়া দেয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধিতে নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দুর্যোগ প্রতিরোধে আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। তিনি এই তথ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিনে বলেন; অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

মন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশের বন্যাপ্রবণ ৪৩টি জেলায় ২৫৮টি উপজেলার মধ্যে ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও ১২৮টি নির্মাণ করা হবে। উপকূলীয় ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় ৯০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে মোট ১১৫টি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে এবং আরও ১২২টি নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও সরে যাওয়ার পথ নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে ১২ হাজার ২৪৫টি সেতু/কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও ২ হাজার ৩৬টি সেতু/কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ৬ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার HBB রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে; ভবিষ্যতে আরও এক হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

দুর্যোগকালে দ্রুত ও কার্যকর উদ্ধারকাজের জন্য দেশের ১২টি জেলার ৩৫টি উপজেলায় টেলিকম্যুনিকেশন যন্ত্রপাতি, ফায়ার ফাইটিং সরঞ্জাম, রেডিও সেট, ১২টি রেসকিউ বোট এবং ৪১৩টি শ্যালো ওয়াটার রিসোর্স বোট ক্রয়ের লক্ষ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে ১১টি এরিয়াল প্ল্যাটফর্ম ল্যাডার হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া তিনটি ফর্কলিফ্ট, তিনটি ২০ টন ডোজার এবং তিনটি ৪৮ টন ডোজার অ্যার্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে দেওয়া হয়েছে। সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আরও অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম, তাবু, এয়ার বোট, স্পিডবোট, ইমার্জেন্সি রেসপন্স ভেহিকেল, সার্চ এন্ড রেসকিউ ইকুইপমেন্ট ও টেলিকমিউনিকেশন যন্ত্রপাতিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, অ্যার্মড ফোর্সেস ডিভিশন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে বিতরণ করবে।

মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং দুর্যোগকালীন প্রতি থেকে দ্রুত সাড়া দেয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধিতে নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা যায়।