০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি মুছে দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সিলেট নগরের টিলাগড় এলাকায় জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে হাটগুলো নির্দিষ্ট স্থানে এবং সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে আয়োজন করা হবে। এতে কৃষকরা সরাসরি ভোক্তার কাছে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন, ফলে মধ্যস্বত্তারা প্রবেশের সুযোগ কমবে। প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে এখানে কোনো চাঁদাবাজি বা অপ্রত্যাশিত খরচ বিবেচনায় আসবে না। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকরা এই বাজার ব্যবস্থা চালু করে নিশ্চিত করবেন যেন কৃষক সপ্তাহে অন্তত একদিন সরাসরি বিক্রি করতে পারেন।

মন্ত্রী বলেন, “দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়—এমন কথাই আমরা বাংলাদেশ থেকে মুছে দেব।” তিনি সিন্ডিকেট ভাঙা ও বাজার সম্প্রতি স্বচ্ছ করতে সরকারী উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বর্তমানে কৃষিপন্য উৎপাদক থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছাতে একাধিক দফায় হাতবদলের ফলে দাম বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন। ‘কৃষকের হাট’ চালুর মাধ্যমে এই চক্র ভেঙে কৃষক ও ভোক্তা—উভয়ের জন্যই লাভজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে দেশের সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন একটি এআই মডেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে বাজার নজরদারি সহজ হবে এবং বাজার পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল থাকবে।

টিসিবির ভূমিকাও শক্তিশালী করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। সরকারের দেওয়া বার্ষিক ভর্তুকি—৩২-৩৩ শ কোটি টাকা—কম করা হবে, কিন্তু টিসিবির কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে, যাতে ভোক্তা প্রতিরক্ষা ও মূল্য স্থিতিশীলতার কাজ আরও কার্যকরভাবে করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি মুছে দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সিলেট নগরের টিলাগড় এলাকায় জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে হাটগুলো নির্দিষ্ট স্থানে এবং সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে আয়োজন করা হবে। এতে কৃষকরা সরাসরি ভোক্তার কাছে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন, ফলে মধ্যস্বত্তারা প্রবেশের সুযোগ কমবে। প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে এখানে কোনো চাঁদাবাজি বা অপ্রত্যাশিত খরচ বিবেচনায় আসবে না। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকরা এই বাজার ব্যবস্থা চালু করে নিশ্চিত করবেন যেন কৃষক সপ্তাহে অন্তত একদিন সরাসরি বিক্রি করতে পারেন।

মন্ত্রী বলেন, “দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়—এমন কথাই আমরা বাংলাদেশ থেকে মুছে দেব।” তিনি সিন্ডিকেট ভাঙা ও বাজার সম্প্রতি স্বচ্ছ করতে সরকারী উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বর্তমানে কৃষিপন্য উৎপাদক থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছাতে একাধিক দফায় হাতবদলের ফলে দাম বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন। ‘কৃষকের হাট’ চালুর মাধ্যমে এই চক্র ভেঙে কৃষক ও ভোক্তা—উভয়ের জন্যই লাভজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে দেশের সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন একটি এআই মডেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে বাজার নজরদারি সহজ হবে এবং বাজার পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল থাকবে।

টিসিবির ভূমিকাও শক্তিশালী করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। সরকারের দেওয়া বার্ষিক ভর্তুকি—৩২-৩৩ শ কোটি টাকা—কম করা হবে, কিন্তু টিসিবির কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে, যাতে ভোক্তা প্রতিরক্ষা ও মূল্য স্থিতিশীলতার কাজ আরও কার্যকরভাবে করা যায়।