০৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী: গাছে আম-জাম ধরলে পাঠাবেন, আমি হাতে খেয়ে দেখব

নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর প্রথম দিনে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় किसानদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ ও গাছের চারা তুলে দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানটি শুরু করেন তিনি।

উৎসবমুখর সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের হাতে চারা ও কার্ড বিতরণকালে হাস্যরসাত্মক ও স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় বলেন, “তাদের গাছের চারা দিচ্ছি — কয়েকজনকে জামগাছ, কয়েকজনকে আমগাছ দিয়েছি। আমি বলেছি এগুলো বাড়ির সামনে রোপণ করবেন। আম-জাম যখন ফললে আমাকে পাঠাবেন, আমি খেয়ে দেখব।”

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত এবং চার কোটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্য এই খাতের সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, কৃষি এই দেশের প্রধান পেশা এবং কৃষকের কল্যাণই সরকারের অগ্রাধিক্য। প্রথম পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু করা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে সরাসরি কৃষির সঙ্গে যুক্ত মোট ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ অন্যতম ছিল। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাদের কৃষিঋণ ছিল—প্রতি খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত—তারা প্রথম সপ্তাহেই মওকুফের সুবিধা পেয়েছেন; এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনাও জানিয়েছেন তিনি, যাতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছেন; এ বিষয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ১৫ জন কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন এবং উপস্থিত কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

প্রধানমন্ত্রী: গাছে আম-জাম ধরলে পাঠাবেন, আমি হাতে খেয়ে দেখব

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর প্রথম দিনে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় किसानদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ ও গাছের চারা তুলে দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানটি শুরু করেন তিনি।

উৎসবমুখর সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের হাতে চারা ও কার্ড বিতরণকালে হাস্যরসাত্মক ও স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় বলেন, “তাদের গাছের চারা দিচ্ছি — কয়েকজনকে জামগাছ, কয়েকজনকে আমগাছ দিয়েছি। আমি বলেছি এগুলো বাড়ির সামনে রোপণ করবেন। আম-জাম যখন ফললে আমাকে পাঠাবেন, আমি খেয়ে দেখব।”

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত এবং চার কোটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্য এই খাতের সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, কৃষি এই দেশের প্রধান পেশা এবং কৃষকের কল্যাণই সরকারের অগ্রাধিক্য। প্রথম পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু করা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে সরাসরি কৃষির সঙ্গে যুক্ত মোট ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ অন্যতম ছিল। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাদের কৃষিঋণ ছিল—প্রতি খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত—তারা প্রথম সপ্তাহেই মওকুফের সুবিধা পেয়েছেন; এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনাও জানিয়েছেন তিনি, যাতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছেন; এ বিষয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ১৫ জন কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন এবং উপস্থিত কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন।