০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে ধর্ম-বর্ণ বিভেদের কোনো স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পহেলা বৈশাখের উৎসবকে ধর্ম, বর্ণ বা কোনো প্রকার বিভেদের ছায়ায় ঢাকা যাবে না। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত আনন্দ ও ঐক্যের উৎসব; এই আনন্দের মধ্যে ভেদাভেদ থাকার কোনো সুযোগ নেই। এটি শুধুমাত্র তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং বাঙালির হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ—এক ধরনের মিলনমেলা।

তিনি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে সম্ভাবনাময় বছর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার আগামী বছরজুড়ে দেশের কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। নববর্ষ উদযাপন ও নীতি-প্রয়োগের মাধ্যমে কৃষকের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার সংস্কারের ঐতিহাসিক কারণও তুলে ধরেন—হিজরী ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষ চালু করার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার কৃষি ও কৃষকের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই প্রেক্ষাপট থেকে পহেলা বৈশাখকে কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত রেখে দেখার আহ্বান জানানো হয়।

স্বপন আরও জানান, বর্তমান সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির প্রতিফলন হিসেবে এই বছর প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করেছেন এবং সেখানে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছেন, যা কৃষকদের সুবিধা বাড়াতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদও বক্তব্য দেন। তারা সবাই পহেলা বৈশাখের সার্বজনীনতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

পহেলা বৈশাখে ধর্ম-বর্ণ বিভেদের কোনো স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পহেলা বৈশাখের উৎসবকে ধর্ম, বর্ণ বা কোনো প্রকার বিভেদের ছায়ায় ঢাকা যাবে না। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত আনন্দ ও ঐক্যের উৎসব; এই আনন্দের মধ্যে ভেদাভেদ থাকার কোনো সুযোগ নেই। এটি শুধুমাত্র তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং বাঙালির হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ—এক ধরনের মিলনমেলা।

তিনি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে সম্ভাবনাময় বছর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার আগামী বছরজুড়ে দেশের কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। নববর্ষ উদযাপন ও নীতি-প্রয়োগের মাধ্যমে কৃষকের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার সংস্কারের ঐতিহাসিক কারণও তুলে ধরেন—হিজরী ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষ চালু করার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার কৃষি ও কৃষকের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই প্রেক্ষাপট থেকে পহেলা বৈশাখকে কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত রেখে দেখার আহ্বান জানানো হয়।

স্বপন আরও জানান, বর্তমান সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির প্রতিফলন হিসেবে এই বছর প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করেছেন এবং সেখানে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছেন, যা কৃষকদের সুবিধা বাড়াতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদও বক্তব্য দেন। তারা সবাই পহেলা বৈশাখের সার্বজনীনতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।