০৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ তথ্যে গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলারে। এ তথ্য বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ‘বিপিএম-৬’ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভের নিট বা ‘প্রকৃত’ পরিমাণ আলাদা করে দেখানো হয়েছে, যা বর্তমানে ৩০.৪৮ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতি আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে দুই ধরনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে।

অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রিজার্ভ স্তর দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এই পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে দেশে কয়েক মাসের প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূলত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রফতানির আয় এই বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর রিজার্ভের এই হিসাব হালনাগাদ করা হয় এবং মুদ্রার প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মোট রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আয়-প্রবাহ সচল থাকলে আগামী দিনগুলোতে রিজার্ভ আরও মজবুত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেশের সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যবহারের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বাজারে টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে এবং প্রয়োজনীয় বৈদেশিক লেনদেন নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই পরিসংখ্যান দেশের আর্থিক খাতের সামগ্রিক অবস্থার একটি স্বচ্ছ চিত্র তুলে ধরে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ তথ্যে গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলারে। এ তথ্য বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ‘বিপিএম-৬’ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভের নিট বা ‘প্রকৃত’ পরিমাণ আলাদা করে দেখানো হয়েছে, যা বর্তমানে ৩০.৪৮ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতি আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে দুই ধরনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে।

অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রিজার্ভ স্তর দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এই পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে দেশে কয়েক মাসের প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূলত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রফতানির আয় এই বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর রিজার্ভের এই হিসাব হালনাগাদ করা হয় এবং মুদ্রার প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মোট রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আয়-প্রবাহ সচল থাকলে আগামী দিনগুলোতে রিজার্ভ আরও মজবুত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেশের সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যবহারের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বাজারে টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে এবং প্রয়োজনীয় বৈদেশিক লেনদেন নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই পরিসংখ্যান দেশের আর্থিক খাতের সামগ্রিক অবস্থার একটি স্বচ্ছ চিত্র তুলে ধরে।