১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশভাগের প্রেক্ষাপটে চঞ্চলের ‘আজাদি’ — কলকাতার পৌলমী সঙ্গী

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ওপার বাংলার চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান আরও সুদৃઢ করছেন। ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’ এর পর এবার তিনি খ্যাতনামা নির্মাতা সুমন মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘আজাদি’ এর কাজ শেষ করেছেন। ছবিতে চঞ্চলের বিপরীতে প্রথমবারের মতো কলকাতার উদীয়মান অভিনেত্রী পৌলমী দাসকে দেখা যাবে। প্রযোজনা সূত্রে জানানো হয়েছে, গত মার্চে এই ছবির শুটিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

‘আজাদি’ মূলত ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। গল্পে তৎকালীন কলকাতা ও ঢাকার সরকারি কর্মকর্তাদের যাতায়াত ও কর্মস্থল স্থানান্তরের জটিলতা এবং সে সময়কার অস্থির পরিবেশ কেমন ছিল, তা সুচারুভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চঞ্চল এখানে ‘সেলিমউল্লাহ’ নামের একজন মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে আছেন, যার প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে দেশান্তরের হাহাকারের মধ্যে ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সত্য উন্মোচন করা।

চঞ্চল চৌধুরী নিজের চরিত্র ও ছবিটি নিয়েই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত মানবিক একটি কাহিনি যেখানে ইতিহাসের কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে এক টানটান রহস্যের জাল মোড়ানো আছে। অনিশ্চয়তা-উত্তেজনার সঙ্গে আবেগও ছবিটিকে শক্তভাবে ধরে রেখেছে বলেই তার ধারণা।

অপরদিকে, চঞ্চলের মতো অভিজ্ঞ অভিনেতার সঙ্গে প্রথম কাজের সুযোগ পেয়ে পৌলমী দাস বেশ উচ্ছ্বসিত। ছোটপর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিত্তির বাড়ি’ থেকে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রী মনে করেন, ‘আজাদি’ এর বিষয়বস্তু ও নির্মাণশৈলী দর্শকদের জন্য এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা হবে।

চলচ্চিত্রটির কারিগরি কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি ডাবিংয়ের কাজ করতে চঞ্চল কলকাতায় অবস্থান করছেন। নির্মাতা ও প্রযোজনা দলের কথা অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যেই ছবিটি মুক্তির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও, প্রথমে বিশ্বের কিছু নামকরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘আজাদি’ প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং পরে সাধারণ প্রেক্ষাগৃহে পাঠানো হবে। ইতিহাস ও রহস্যের সংমিশ্রণে নির্মিত এই ছবি দুই বাংলার দর্শকদের মধ্যে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশভাগের প্রেক্ষাপটে চঞ্চলের ‘আজাদি’ — কলকাতার পৌলমী সঙ্গী

প্রকাশিতঃ ০৭:২১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ওপার বাংলার চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান আরও সুদৃઢ করছেন। ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’ এর পর এবার তিনি খ্যাতনামা নির্মাতা সুমন মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘আজাদি’ এর কাজ শেষ করেছেন। ছবিতে চঞ্চলের বিপরীতে প্রথমবারের মতো কলকাতার উদীয়মান অভিনেত্রী পৌলমী দাসকে দেখা যাবে। প্রযোজনা সূত্রে জানানো হয়েছে, গত মার্চে এই ছবির শুটিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

‘আজাদি’ মূলত ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। গল্পে তৎকালীন কলকাতা ও ঢাকার সরকারি কর্মকর্তাদের যাতায়াত ও কর্মস্থল স্থানান্তরের জটিলতা এবং সে সময়কার অস্থির পরিবেশ কেমন ছিল, তা সুচারুভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চঞ্চল এখানে ‘সেলিমউল্লাহ’ নামের একজন মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে আছেন, যার প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে দেশান্তরের হাহাকারের মধ্যে ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সত্য উন্মোচন করা।

চঞ্চল চৌধুরী নিজের চরিত্র ও ছবিটি নিয়েই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত মানবিক একটি কাহিনি যেখানে ইতিহাসের কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে এক টানটান রহস্যের জাল মোড়ানো আছে। অনিশ্চয়তা-উত্তেজনার সঙ্গে আবেগও ছবিটিকে শক্তভাবে ধরে রেখেছে বলেই তার ধারণা।

অপরদিকে, চঞ্চলের মতো অভিজ্ঞ অভিনেতার সঙ্গে প্রথম কাজের সুযোগ পেয়ে পৌলমী দাস বেশ উচ্ছ্বসিত। ছোটপর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিত্তির বাড়ি’ থেকে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রী মনে করেন, ‘আজাদি’ এর বিষয়বস্তু ও নির্মাণশৈলী দর্শকদের জন্য এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা হবে।

চলচ্চিত্রটির কারিগরি কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি ডাবিংয়ের কাজ করতে চঞ্চল কলকাতায় অবস্থান করছেন। নির্মাতা ও প্রযোজনা দলের কথা অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যেই ছবিটি মুক্তির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও, প্রথমে বিশ্বের কিছু নামকরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘আজাদি’ প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং পরে সাধারণ প্রেক্ষাগৃহে পাঠানো হবে। ইতিহাস ও রহস্যের সংমিশ্রণে নির্মিত এই ছবি দুই বাংলার দর্শকদের মধ্যে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।