১২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ছাড়ালো ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা সেবা দেওয়া করুণা নয়, সরকারের মৌলিক দায়িত্ব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী সেবা জনগণের প্রতি করুণা নয়, সরকারের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাকিস্তানকে হারিয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান চিফ হুইপ: গণতন্ত্র ছাড়া কোনও উন্নয়ন সম্ভব নয় তথ্যমন্ত্রী: গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকার এগোচ্ছে, জুনে পরামর্শক কমিটি মিরানা মাহরুখকে বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ বেবিচকে আইকাও প্রশিক্ষক কোর্সের সনদ বিতরণ শামা ওবায়েদ: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদার হচ্ছে

কলকাতা পুরসভা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির একাংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে

কলকাতা পুরসভা ভবনের বিল্ডিং বিভাগ সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের একাংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে যে কিছু নির্মাণকাজ অনুমোদিত নকশার বাইরে করা হয়েছে এবং সেগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ছাড়পত্র নেই।

পুরসভা একই সঙ্গে দু’টি পৃথক নোটিশ জারি করেছে—একটি অভিষেকের মালিকানাধীন সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে এবং অন্যটি তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮(এ)-এর বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’ এবং কালীঘাট রোডের ১২১ নং লতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের সম্পত্তিতে নকশা বহির্ভূত কিছু নির্মাণ লক্ষ্য করা গেছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্টরা নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ওই অবৈধ অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে ফেলবেন অথবা ব্যবহার্য কারণ দেখাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা না মানলে পুর মিউনিসিপাল কমিশনার সরাসরি উচ্ছেদ কার্যক্রম চালিয়ে ঐ অংশ ভাঙিয়ে ফেলবেন এবং তার সমস্ত ব্যয় সংশ্লিষ্ট মালিককে বহন করতে হবে।

আরও বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সম্পত্তিগুলোর সম্পূর্ণ কাঠামোগত তথ্যের পাশাপাশি ‘অ্যাজ-বিল্ট ড্রয়িং’ জমা দিতে হবে। বিল্ডিং বিভাগ মূলত অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত অংশগুলো চিহ্নিত করেই এই নোটিশ দিয়েছে।

রাজনৈতিকভাবে ঘটনাটি দ্রুত রোয় নিষ্কर्ष তৈরি করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী নেতা; তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা এবং বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার আসন থেকে সংসদ সদস্য। তাঁর মতো উচ্চপদস্থ নেতার বাড়িতে এই ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বিশেষত সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিরতা গ্রহণ করায়, পুরসভার এই কড়া পদক্ষেপকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। এটি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তাত্ক্ষণিকভাবে চর্চা শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ বিষয়টির ওপর কড়া নজর রাখছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চলতি ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ছাড়ালো ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা

কলকাতা পুরসভা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির একাংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

কলকাতা পুরসভা ভবনের বিল্ডিং বিভাগ সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের একাংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে যে কিছু নির্মাণকাজ অনুমোদিত নকশার বাইরে করা হয়েছে এবং সেগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ছাড়পত্র নেই।

পুরসভা একই সঙ্গে দু’টি পৃথক নোটিশ জারি করেছে—একটি অভিষেকের মালিকানাধীন সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে এবং অন্যটি তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮(এ)-এর বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’ এবং কালীঘাট রোডের ১২১ নং লতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের সম্পত্তিতে নকশা বহির্ভূত কিছু নির্মাণ লক্ষ্য করা গেছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্টরা নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ওই অবৈধ অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে ফেলবেন অথবা ব্যবহার্য কারণ দেখাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা না মানলে পুর মিউনিসিপাল কমিশনার সরাসরি উচ্ছেদ কার্যক্রম চালিয়ে ঐ অংশ ভাঙিয়ে ফেলবেন এবং তার সমস্ত ব্যয় সংশ্লিষ্ট মালিককে বহন করতে হবে।

আরও বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সম্পত্তিগুলোর সম্পূর্ণ কাঠামোগত তথ্যের পাশাপাশি ‘অ্যাজ-বিল্ট ড্রয়িং’ জমা দিতে হবে। বিল্ডিং বিভাগ মূলত অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত অংশগুলো চিহ্নিত করেই এই নোটিশ দিয়েছে।

রাজনৈতিকভাবে ঘটনাটি দ্রুত রোয় নিষ্কर्ष তৈরি করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী নেতা; তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা এবং বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার আসন থেকে সংসদ সদস্য। তাঁর মতো উচ্চপদস্থ নেতার বাড়িতে এই ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বিশেষত সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিরতা গ্রহণ করায়, পুরসভার এই কড়া পদক্ষেপকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। এটি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তাত্ক্ষণিকভাবে চর্চা শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ বিষয়টির ওপর কড়া নজর রাখছে।