০৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঢাকা–টাঙ্গাইলে তিতাসের সাঁড়াশি অভিযান: অবৈধ গ্যাস কেটে পাইপ অপসারণ, জরিমানা আদায়

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি ঢাকা ও টাঙ্গাইলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পাইপলাইন অপসারণ ও জরিমানা আদায় করেছে। কোম্পানিটি বলেছে, এই ধরনের অভিযান অবৈধ গ্যাস ব্যবহার ও চুরি রোধে অব্যাহত থাকবে।

গত বুধবার (১৭ জুন) তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে আমিনবাজারের সালেহপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সংশ্লিষ্ট মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের কাছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করতে এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানো হয়। কর্মকর্তারা বলেন, অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের ফলে বৈধ গ্রাহকরা তাদের প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযানে সালেহপুরের এক আবাসিক গ্রাহকের সংযোগ থেকে অবৈধভাবে একটি ওয়াশিং কারখানায় গ্যাস সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া গেলে তা বিচ্ছিন্ন করে লক-উইং ককে প্লাস্টিক সিল লাগিয়ে রাখা হয়েছে। একই এলাকায় একটি মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে মডিফাইড বার্নারের মাধ্যমে গ্যাস ব্যবহার হওয়ার তথ্য পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। আরও পাঁচজন বৈধ গ্রাহকের প্রাঙ্গণে অনুমোদনবহির্ভূতভাবে গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগে তাদের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে প্লাস্টিক সিল লাগানো হয়েছে।

অন্যদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াইয়ের নাজিরপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পৃথক অভিযান সংঘটিত হয়। সেখানে প্রায় ৭৪০ ফুট দীর্ঘ, ৩/৪ ইঞ্চি ব্যাসের জিআই পাইপ অপসারণ করা হয়। আনুমানিক ৫৬টি বাড়িতে থাকা ৬৩টি ডাবল চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

অভিযানে মোট পাঁচটি অবৈধ গ্যাস সরবরাহের উৎসস্থল স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন (কিলিং) করা হয়েছে এবং দুটি সম্পূর্ণ অবৈধ রেগুলেটর জব্দ করা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করার দায়ে তিনজন গ্রাহকের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের দায়ে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ মনে করিয়ে দিয়েছে যে, অবৈধ সংযোগ ও চুরি রোধ না করলে প্রতিষ্ঠিত গ্রাহকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন এবং নিরাপত্তার ঝুঁকিও থাকবে। তাই ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যেতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঢাকা–টাঙ্গাইলে তিতাসের সাঁড়াশি অভিযান: অবৈধ গ্যাস কেটে পাইপ অপসারণ, জরিমানা আদায়

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি ঢাকা ও টাঙ্গাইলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পাইপলাইন অপসারণ ও জরিমানা আদায় করেছে। কোম্পানিটি বলেছে, এই ধরনের অভিযান অবৈধ গ্যাস ব্যবহার ও চুরি রোধে অব্যাহত থাকবে।

গত বুধবার (১৭ জুন) তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে আমিনবাজারের সালেহপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সংশ্লিষ্ট মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের কাছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করতে এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানো হয়। কর্মকর্তারা বলেন, অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের ফলে বৈধ গ্রাহকরা তাদের প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযানে সালেহপুরের এক আবাসিক গ্রাহকের সংযোগ থেকে অবৈধভাবে একটি ওয়াশিং কারখানায় গ্যাস সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া গেলে তা বিচ্ছিন্ন করে লক-উইং ককে প্লাস্টিক সিল লাগিয়ে রাখা হয়েছে। একই এলাকায় একটি মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে মডিফাইড বার্নারের মাধ্যমে গ্যাস ব্যবহার হওয়ার তথ্য পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। আরও পাঁচজন বৈধ গ্রাহকের প্রাঙ্গণে অনুমোদনবহির্ভূতভাবে গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগে তাদের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে প্লাস্টিক সিল লাগানো হয়েছে।

অন্যদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াইয়ের নাজিরপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পৃথক অভিযান সংঘটিত হয়। সেখানে প্রায় ৭৪০ ফুট দীর্ঘ, ৩/৪ ইঞ্চি ব্যাসের জিআই পাইপ অপসারণ করা হয়। আনুমানিক ৫৬টি বাড়িতে থাকা ৬৩টি ডাবল চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

অভিযানে মোট পাঁচটি অবৈধ গ্যাস সরবরাহের উৎসস্থল স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন (কিলিং) করা হয়েছে এবং দুটি সম্পূর্ণ অবৈধ রেগুলেটর জব্দ করা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করার দায়ে তিনজন গ্রাহকের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের দায়ে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ মনে করিয়ে দিয়েছে যে, অবৈধ সংযোগ ও চুরি রোধ না করলে প্রতিষ্ঠিত গ্রাহকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন এবং নিরাপত্তার ঝুঁকিও থাকবে। তাই ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যেতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।