০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢাকায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্থায়ী ভিসা সেন্টার স্থাপনের তৎপরতা শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে তাদাও আন্দোর নকশায় আধুনিক ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন লাইব্রেরি’ নির্মাণ অক্টোবর থেকে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: তথ্য উপদেষ্টা মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা: অক্টোবরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ডিএমপিতে উচ্চপর্যায়ের রদবদল — ৬ ডিসিকে বদলি ডে-কেয়ার সেন্টার দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অপরিহার্য: ডা. জুবাইদা রহমান

ভ্রমণ সহজ করতে সৌদি আরবে পাইলট ‘প্যাকেজ ভিসা’ চালু

সৌদি আরব পর্যটকদের ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সরল করতে একটি পাইলট পর্যায়ে ‘প্যাকেজ ভিসা’ চালু করেছে। নতুন এই উদ্যোগে যোগ্য পর্যটকরা বিমানের টিকিট, আবাসন ও অন্যান্য ভ্রমণসংক্রান্ত সুবিধাসহ একটি সমন্বিত প্যাকেজের মাধ্যমে সরাসরি ট্যুরিস্ট ভিসা পেতে পারবেন।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঘোষিত এই সুবিধা নির্ধারিত কিছু পরীক্ষামূলক বাজারে অনুমোদিত ভ্রমণ ও পর্যটন পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কার্যকর করা হবে। শুধুমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও অনুমোদিত সংস্থাগুলোই এই সেবা দিতে পারবে।

প্যাকেজ ভিসার মূল বৈশিষ্ট্য হলো—ভ্রমণকারীর পক্ষে আলাদা আলাদাভাবে ফ্লাইট, হোটেল বা ভিসা আবেদন করার প্রয়োজন থাকবে না। একটি একীভূত প্যাকেজের মধ্যেই যাওয়া–আসার বিমানভাড়া, লাইসেন্সপ্রাপ্ত আতিথেয়তা কেন্দ্রগুলোতে থাকার ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ভিসা আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

পর্যটকরা চাইলে তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্যাকেজে বিভিন্ন আকর্ষণীয় ট্যুর, বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও দর্শনীয় স্থান দেখার ব্যবস্থা যুক্ত করতে পারবেন। ফলে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা সহজ হবে এবং ভ্রমণের আগে বিভিন্ন বুকিং বা কাগজপত্র মিলিয়ে ঝামেলা কমবে।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা থাকা এবং ২৪ ঘণ্টা গ্রাহক সহায়তা দিতে সক্ষম অনুমোদিত ভ্রমণ সংস্থাগুলোই এই প্যাকেজ ভিসা প্রদানে নামবে।

এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ভিশন–২০৩০-এর আওতায় পর্যটন খাতের পরিধি ও সুযোগ বিস্তারের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিমা কর্তৃপক্ষ একযোগে এই সমন্বিত উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করেছে।

সৌদি আরব গত কয়েক বছরে ই-ভিসা চালু করার পর থেকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা ও স্টপওভার ট্রানজিট ভিসাসহ বিভিন্ন নমনীয় প্রবেশ ব্যবস্থাও চালু করেছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে দেশটি রেকর্ড ২৯ মিলিয়নেরও বেশি আন্তর্জাতিক পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে।

প্যাকেজ ভিসা চালুর ফলে আশা করা হচ্ছে ভ্রমণ আরো সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক হবে এবং সৌদি আরবে পর্যটক আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভ্রমণ সহজ করতে সৌদি আরবে পাইলট ‘প্যাকেজ ভিসা’ চালু

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সৌদি আরব পর্যটকদের ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সরল করতে একটি পাইলট পর্যায়ে ‘প্যাকেজ ভিসা’ চালু করেছে। নতুন এই উদ্যোগে যোগ্য পর্যটকরা বিমানের টিকিট, আবাসন ও অন্যান্য ভ্রমণসংক্রান্ত সুবিধাসহ একটি সমন্বিত প্যাকেজের মাধ্যমে সরাসরি ট্যুরিস্ট ভিসা পেতে পারবেন।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঘোষিত এই সুবিধা নির্ধারিত কিছু পরীক্ষামূলক বাজারে অনুমোদিত ভ্রমণ ও পর্যটন পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কার্যকর করা হবে। শুধুমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও অনুমোদিত সংস্থাগুলোই এই সেবা দিতে পারবে।

প্যাকেজ ভিসার মূল বৈশিষ্ট্য হলো—ভ্রমণকারীর পক্ষে আলাদা আলাদাভাবে ফ্লাইট, হোটেল বা ভিসা আবেদন করার প্রয়োজন থাকবে না। একটি একীভূত প্যাকেজের মধ্যেই যাওয়া–আসার বিমানভাড়া, লাইসেন্সপ্রাপ্ত আতিথেয়তা কেন্দ্রগুলোতে থাকার ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ভিসা আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

পর্যটকরা চাইলে তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্যাকেজে বিভিন্ন আকর্ষণীয় ট্যুর, বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও দর্শনীয় স্থান দেখার ব্যবস্থা যুক্ত করতে পারবেন। ফলে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা সহজ হবে এবং ভ্রমণের আগে বিভিন্ন বুকিং বা কাগজপত্র মিলিয়ে ঝামেলা কমবে।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা থাকা এবং ২৪ ঘণ্টা গ্রাহক সহায়তা দিতে সক্ষম অনুমোদিত ভ্রমণ সংস্থাগুলোই এই প্যাকেজ ভিসা প্রদানে নামবে।

এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ভিশন–২০৩০-এর আওতায় পর্যটন খাতের পরিধি ও সুযোগ বিস্তারের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিমা কর্তৃপক্ষ একযোগে এই সমন্বিত উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করেছে।

সৌদি আরব গত কয়েক বছরে ই-ভিসা চালু করার পর থেকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা ও স্টপওভার ট্রানজিট ভিসাসহ বিভিন্ন নমনীয় প্রবেশ ব্যবস্থাও চালু করেছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে দেশটি রেকর্ড ২৯ মিলিয়নেরও বেশি আন্তর্জাতিক পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে।

প্যাকেজ ভিসা চালুর ফলে আশা করা হচ্ছে ভ্রমণ আরো সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক হবে এবং সৌদি আরবে পর্যটক আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে।