০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ

দুই বছরে সর্বোচ্চ স্তরে ডিএসই প্রধান সূচক

টানা কয়েক দিনের ধারাবাহিক উত্থানের ফলে দেশের শেয়ারবাজার দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স এবং লেনদেনের পরিমাণ—দুইইই দীর্ঘ সময়ের রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৯৯টির দাম বেড়েছে, ১৩৭টির দাম কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। দাম বাড়ার সংখ্যাগুলোর প্রভাবেই ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বাড়ে এবং ৫,৯১১ পয়েন্টে উঠেছে। সূচকটি যে অবস্থায় আছে, তা গত দুই বছর চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে; এর আগে ২০২৪ সালের ২১ মার্চ সূচকটি ছিল ৫,৯৪২ পয়েন্টে।

মূল্যসূচকের পাশাপাশি লেনদেনের তীব্রতাও চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১,৬৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা সোমবারের তুলনায় ২৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকা বেশি (সোমবার লেনদেন ছিল ১,৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা)। এর আগের রোববার লেনদেনের পরিমাণ একবার ১,৬৬৯ কোটি টাকার ওপরে গিয়েছিল, যা ১১ আগস্ট ২০২৪-এর পর সর্বোচ্চ হিসেবে ধরা হয়েছিল।

বাজারের অন্যান্য সূচকগুলোও শক্তিশালী ঘুরে দাঁড়িয়েছে—ডিএসইর শরিয়াহ সূচক বেড়ে ১০ পয়েন্ট হয়ে ১,২০৭ হয়েছে এবং বাছাই করা কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়িয়ে ২,২২৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। সেখানে লেনদেন হওয়া ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৭টির দর বেড়েছে, ৮৯টির দর কমেছে এবং বাকি ২৬টির দর অপ্রচলিত অবস্থায় ছিল।

মোটমাটে বাজারে ধারাবাহিক দরবৃদ্ধি ও লেনদেনের তীব্রতা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়া এবং সাধারণভাবে ইতিবাচক মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দলে ফিরেই আইসিসির জুনের মাসসেরা মনোনয়ন পেলেন মোসাদ্দেক

দুই বছরে সর্বোচ্চ স্তরে ডিএসই প্রধান সূচক

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েক দিনের ধারাবাহিক উত্থানের ফলে দেশের শেয়ারবাজার দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স এবং লেনদেনের পরিমাণ—দুইইই দীর্ঘ সময়ের রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৯৯টির দাম বেড়েছে, ১৩৭টির দাম কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। দাম বাড়ার সংখ্যাগুলোর প্রভাবেই ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বাড়ে এবং ৫,৯১১ পয়েন্টে উঠেছে। সূচকটি যে অবস্থায় আছে, তা গত দুই বছর চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে; এর আগে ২০২৪ সালের ২১ মার্চ সূচকটি ছিল ৫,৯৪২ পয়েন্টে।

মূল্যসূচকের পাশাপাশি লেনদেনের তীব্রতাও চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১,৬৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা সোমবারের তুলনায় ২৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকা বেশি (সোমবার লেনদেন ছিল ১,৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা)। এর আগের রোববার লেনদেনের পরিমাণ একবার ১,৬৬৯ কোটি টাকার ওপরে গিয়েছিল, যা ১১ আগস্ট ২০২৪-এর পর সর্বোচ্চ হিসেবে ধরা হয়েছিল।

বাজারের অন্যান্য সূচকগুলোও শক্তিশালী ঘুরে দাঁড়িয়েছে—ডিএসইর শরিয়াহ সূচক বেড়ে ১০ পয়েন্ট হয়ে ১,২০৭ হয়েছে এবং বাছাই করা কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়িয়ে ২,২২৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। সেখানে লেনদেন হওয়া ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৭টির দর বেড়েছে, ৮৯টির দর কমেছে এবং বাকি ২৬টির দর অপ্রচলিত অবস্থায় ছিল।

মোটমাটে বাজারে ধারাবাহিক দরবৃদ্ধি ও লেনদেনের তীব্রতা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়া এবং সাধারণভাবে ইতিবাচক মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।