১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইসিতে বিএনপির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা; সর্বশেষ বছরে আয় ২২.১৯ কোটি, ব্যয় ১৫.২৬ কোটি

বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। রোববার ইসি সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়।

দলীয় তরফে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ অর্থবছরে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৮২ টাকা, আর ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। ফলে দলীয় তহবিলে ওই বছরের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসি সচিবালয়ে গিয়ে এই নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নেবে তা নির্বাচন কমিশন ও আদালতের বিষয়, এবং বিএনপি এখনও কোনো প্রার্থীর প্রতি সমর্থন দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি আরও বলেন, খুব শিগগিরই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি বছরের মতো এবারও নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ৩১ জুলাইয়ের আগেই আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিবেদনে দলীয় আয়ের প্রচলিত উৎস হিসাবে সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যয়ের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রচারপত্র ও পোস্টার, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং অসচ্ছল নেতাকর্মীদের সহায়তা ইত্যাদি দেখানো হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। কোনো দল তিন বছর টানা এই হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এবার সময়মতো হিসাব জমা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দলটির গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা ও কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইসিতে বিএনপির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা; সর্বশেষ বছরে আয় ২২.১৯ কোটি, ব্যয় ১৫.২৬ কোটি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। রোববার ইসি সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়।

দলীয় তরফে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ অর্থবছরে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৮২ টাকা, আর ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। ফলে দলীয় তহবিলে ওই বছরের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসি সচিবালয়ে গিয়ে এই নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নেবে তা নির্বাচন কমিশন ও আদালতের বিষয়, এবং বিএনপি এখনও কোনো প্রার্থীর প্রতি সমর্থন দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি আরও বলেন, খুব শিগগিরই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি বছরের মতো এবারও নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ৩১ জুলাইয়ের আগেই আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিবেদনে দলীয় আয়ের প্রচলিত উৎস হিসাবে সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যয়ের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রচারপত্র ও পোস্টার, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং অসচ্ছল নেতাকর্মীদের সহায়তা ইত্যাদি দেখানো হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। কোনো দল তিন বছর টানা এই হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এবার সময়মতো হিসাব জমা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দলটির গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা ও কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।