০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সর্বনিম্ন ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা

ইসিতে বিএনপির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা; সর্বশেষ বছরে আয় ২২.১৯ কোটি, ব্যয় ১৫.২৬ কোটি

বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। রোববার ইসি সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়।

দলীয় তরফে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ অর্থবছরে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৮২ টাকা, আর ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। ফলে দলীয় তহবিলে ওই বছরের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসি সচিবালয়ে গিয়ে এই নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নেবে তা নির্বাচন কমিশন ও আদালতের বিষয়, এবং বিএনপি এখনও কোনো প্রার্থীর প্রতি সমর্থন দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি আরও বলেন, খুব শিগগিরই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি বছরের মতো এবারও নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ৩১ জুলাইয়ের আগেই আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিবেদনে দলীয় আয়ের প্রচলিত উৎস হিসাবে সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যয়ের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রচারপত্র ও পোস্টার, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং অসচ্ছল নেতাকর্মীদের সহায়তা ইত্যাদি দেখানো হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। কোনো দল তিন বছর টানা এই হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এবার সময়মতো হিসাব জমা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দলটির গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা ও কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন

ইসিতে বিএনপির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা; সর্বশেষ বছরে আয় ২২.১৯ কোটি, ব্যয় ১৫.২৬ কোটি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। রোববার ইসি সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়।

দলীয় তরফে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ অর্থবছরে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৮২ টাকা, আর ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। ফলে দলীয় তহবিলে ওই বছরের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসি সচিবালয়ে গিয়ে এই নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নেবে তা নির্বাচন কমিশন ও আদালতের বিষয়, এবং বিএনপি এখনও কোনো প্রার্থীর প্রতি সমর্থন দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি আরও বলেন, খুব শিগগিরই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি বছরের মতো এবারও নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ৩১ জুলাইয়ের আগেই আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিবেদনে দলীয় আয়ের প্রচলিত উৎস হিসাবে সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যয়ের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রচারপত্র ও পোস্টার, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং অসচ্ছল নেতাকর্মীদের সহায়তা ইত্যাদি দেখানো হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। কোনো দল তিন বছর টানা এই হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এবার সময়মতো হিসাব জমা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দলটির গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা ও কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।