১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

করোনার নতুন ওষুধ মলনুপিরাভির দেশেই উৎপাদন

দেশের বাজারে মিলছে যুক্তরাজ্যে সদ্য অনুমোদন পাওয়া করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ট্যাবলেটটি এর মধ্যে বাজারজাতকরণ শুরু করেছে। অনুমোদিত অন্যান্য কোম্পানিও দ্রুতই উৎপাদন শুরু করে বাজারজাত করতে পারবে।

গতকাল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, এসকেএফ ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসও ওষুধ তৈরি ও বাজারজাতের অনুমোদন পেয়েছে। দেশের বাজারে এই ওষুধ পাওয়া যাবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে। এই প্রথম মুখে খাওয়ার কোনো অ্যান্টিভাইরাল আমাদের দেশে আসল। মলনুপিরাভির এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পেয়েছে। গত সোমবার আমরা বেক্সিমকোকে এবং আজ (মঙ্গলবার) এসকেএফকে ইমার্জেন্সি ইউজ এবং মার্কেটিং অথরাইজেশন দিয়েছি। আমরা মনে করি, এই ওষুধ করোনাভাইরাস মহামারী দূর করতে ভূমিকা পালন করবে। ‘উন্নয়নশীল দেশ’ হিসেবে কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে ‘মেধাস্বত্ব ছাড়ের’ সুযোগ থাকায় বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো দ্রুত এই ওষুধ আনতে পারছে বলে তিনি জানান।

এ ছাড়া আরও আটটি কোম্পানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। সেগুলোর অনুমোদন এই সপ্তাহের মধ্যে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রতিদিন দুই বেলা চারটি করে আটটি ক্যাপসুল খেতে হবে। এই ওষুধের কোর্স চলবে পাঁচ দিন। ২০০ মিলিগ্রামের প্রতিটি ক্যাপসুলের দাম পড়বে ৫০ টাকা করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই ওষুধ খেতে হবে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক।যুক্তরাষ্ট্রের দুই কোম্পানি মার্ক শার্প অ্যান্ড ডোম (এমএসডি) ও রিজেবাক বায়োথেরাপিউটিক যৌথভাবে তৈরি করেছে লাগেভ্রিও (মলনুপিরাভির) নামে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ। এর আগে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে বলে প্রমাণ মিলেছে। গত বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের উপসর্গের চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ওষুধটি যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) অনুমোদন পেয়েছে।

 

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

করোনার নতুন ওষুধ মলনুপিরাভির দেশেই উৎপাদন

প্রকাশিতঃ ১২:৫২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১
দেশের বাজারে মিলছে যুক্তরাজ্যে সদ্য অনুমোদন পাওয়া করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ট্যাবলেটটি এর মধ্যে বাজারজাতকরণ শুরু করেছে। অনুমোদিত অন্যান্য কোম্পানিও দ্রুতই উৎপাদন শুরু করে বাজারজাত করতে পারবে।

গতকাল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, এসকেএফ ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসও ওষুধ তৈরি ও বাজারজাতের অনুমোদন পেয়েছে। দেশের বাজারে এই ওষুধ পাওয়া যাবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে। এই প্রথম মুখে খাওয়ার কোনো অ্যান্টিভাইরাল আমাদের দেশে আসল। মলনুপিরাভির এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পেয়েছে। গত সোমবার আমরা বেক্সিমকোকে এবং আজ (মঙ্গলবার) এসকেএফকে ইমার্জেন্সি ইউজ এবং মার্কেটিং অথরাইজেশন দিয়েছি। আমরা মনে করি, এই ওষুধ করোনাভাইরাস মহামারী দূর করতে ভূমিকা পালন করবে। ‘উন্নয়নশীল দেশ’ হিসেবে কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে ‘মেধাস্বত্ব ছাড়ের’ সুযোগ থাকায় বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো দ্রুত এই ওষুধ আনতে পারছে বলে তিনি জানান।

এ ছাড়া আরও আটটি কোম্পানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। সেগুলোর অনুমোদন এই সপ্তাহের মধ্যে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রতিদিন দুই বেলা চারটি করে আটটি ক্যাপসুল খেতে হবে। এই ওষুধের কোর্স চলবে পাঁচ দিন। ২০০ মিলিগ্রামের প্রতিটি ক্যাপসুলের দাম পড়বে ৫০ টাকা করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই ওষুধ খেতে হবে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক।যুক্তরাষ্ট্রের দুই কোম্পানি মার্ক শার্প অ্যান্ড ডোম (এমএসডি) ও রিজেবাক বায়োথেরাপিউটিক যৌথভাবে তৈরি করেছে লাগেভ্রিও (মলনুপিরাভির) নামে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ। এর আগে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে বলে প্রমাণ মিলেছে। গত বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের উপসর্গের চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ওষুধটি যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) অনুমোদন পেয়েছে।