১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

করোনার নতুন ওষুধ মলনুপিরাভির দেশেই উৎপাদন

দেশের বাজারে মিলছে যুক্তরাজ্যে সদ্য অনুমোদন পাওয়া করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ট্যাবলেটটি এর মধ্যে বাজারজাতকরণ শুরু করেছে। অনুমোদিত অন্যান্য কোম্পানিও দ্রুতই উৎপাদন শুরু করে বাজারজাত করতে পারবে।

গতকাল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, এসকেএফ ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসও ওষুধ তৈরি ও বাজারজাতের অনুমোদন পেয়েছে। দেশের বাজারে এই ওষুধ পাওয়া যাবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে। এই প্রথম মুখে খাওয়ার কোনো অ্যান্টিভাইরাল আমাদের দেশে আসল। মলনুপিরাভির এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পেয়েছে। গত সোমবার আমরা বেক্সিমকোকে এবং আজ (মঙ্গলবার) এসকেএফকে ইমার্জেন্সি ইউজ এবং মার্কেটিং অথরাইজেশন দিয়েছি। আমরা মনে করি, এই ওষুধ করোনাভাইরাস মহামারী দূর করতে ভূমিকা পালন করবে। ‘উন্নয়নশীল দেশ’ হিসেবে কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে ‘মেধাস্বত্ব ছাড়ের’ সুযোগ থাকায় বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো দ্রুত এই ওষুধ আনতে পারছে বলে তিনি জানান।

এ ছাড়া আরও আটটি কোম্পানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। সেগুলোর অনুমোদন এই সপ্তাহের মধ্যে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রতিদিন দুই বেলা চারটি করে আটটি ক্যাপসুল খেতে হবে। এই ওষুধের কোর্স চলবে পাঁচ দিন। ২০০ মিলিগ্রামের প্রতিটি ক্যাপসুলের দাম পড়বে ৫০ টাকা করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই ওষুধ খেতে হবে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক।যুক্তরাষ্ট্রের দুই কোম্পানি মার্ক শার্প অ্যান্ড ডোম (এমএসডি) ও রিজেবাক বায়োথেরাপিউটিক যৌথভাবে তৈরি করেছে লাগেভ্রিও (মলনুপিরাভির) নামে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ। এর আগে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে বলে প্রমাণ মিলেছে। গত বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের উপসর্গের চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ওষুধটি যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) অনুমোদন পেয়েছে।

 

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

করোনার নতুন ওষুধ মলনুপিরাভির দেশেই উৎপাদন

প্রকাশিতঃ ১২:৫২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১
দেশের বাজারে মিলছে যুক্তরাজ্যে সদ্য অনুমোদন পাওয়া করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ট্যাবলেটটি এর মধ্যে বাজারজাতকরণ শুরু করেছে। অনুমোদিত অন্যান্য কোম্পানিও দ্রুতই উৎপাদন শুরু করে বাজারজাত করতে পারবে।

গতকাল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, এসকেএফ ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসও ওষুধ তৈরি ও বাজারজাতের অনুমোদন পেয়েছে। দেশের বাজারে এই ওষুধ পাওয়া যাবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে। এই প্রথম মুখে খাওয়ার কোনো অ্যান্টিভাইরাল আমাদের দেশে আসল। মলনুপিরাভির এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পেয়েছে। গত সোমবার আমরা বেক্সিমকোকে এবং আজ (মঙ্গলবার) এসকেএফকে ইমার্জেন্সি ইউজ এবং মার্কেটিং অথরাইজেশন দিয়েছি। আমরা মনে করি, এই ওষুধ করোনাভাইরাস মহামারী দূর করতে ভূমিকা পালন করবে। ‘উন্নয়নশীল দেশ’ হিসেবে কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে ‘মেধাস্বত্ব ছাড়ের’ সুযোগ থাকায় বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো দ্রুত এই ওষুধ আনতে পারছে বলে তিনি জানান।

এ ছাড়া আরও আটটি কোম্পানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। সেগুলোর অনুমোদন এই সপ্তাহের মধ্যে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রতিদিন দুই বেলা চারটি করে আটটি ক্যাপসুল খেতে হবে। এই ওষুধের কোর্স চলবে পাঁচ দিন। ২০০ মিলিগ্রামের প্রতিটি ক্যাপসুলের দাম পড়বে ৫০ টাকা করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই ওষুধ খেতে হবে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক।যুক্তরাষ্ট্রের দুই কোম্পানি মার্ক শার্প অ্যান্ড ডোম (এমএসডি) ও রিজেবাক বায়োথেরাপিউটিক যৌথভাবে তৈরি করেছে লাগেভ্রিও (মলনুপিরাভির) নামে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ। এর আগে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে বলে প্রমাণ মিলেছে। গত বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের উপসর্গের চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ওষুধটি যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) অনুমোদন পেয়েছে।