১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের প্রাথমিক পর্যায়ে মোট সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আগস্ট মাসের মধ্যে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য সরকারের।

গতকাল শনিবার কিশোরগঞ্জের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য ব্যক্ত করেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, ‘আমার নিজের হাওর এলাকায় থাকি, তাই আমি জানি বাস্তব পরিস্থিতি কতটা চ্যালেঞ্জজনক। শুধু হাওর নয়, দেশের চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষকরা থাকতে চান না বা বদলি করে শহরে যেতে চান। তবে নিয়ম অনুযায়ী যেখানে পোস্টিং হয়, সেখানে থাকতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে অনেক সময় তদবির বা চাপে বদলি হয়, যা একপ্রকার সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা।’

এছাড়াও, সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণকারী সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারাও একই গ্রেডে থাকেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এতে প্রশাসনিক চেইন ভেঙে যাবে, এমন ধারণা ভুল। তবে তাদের গ্রেড উন্নয়নেরও প্রয়োজন আছে।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘কিশোরগঞ্জ জেলায় বর্তমানে ৮০৫ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণবিহীন রয়েছেন, যাদের দ্রুত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। তাছাড়া, ১৮০টি বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু হচ্ছে। একইসাথে সহকারী শিক্ষকদের মূল্যায়নও জরুরি, যা সরকার নিশ্চিত করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এন্ডিসি (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুকিত সরকার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মজিব আলম।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের প্রাথমিক পর্যায়ে মোট সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আগস্ট মাসের মধ্যে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য সরকারের।

গতকাল শনিবার কিশোরগঞ্জের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য ব্যক্ত করেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, ‘আমার নিজের হাওর এলাকায় থাকি, তাই আমি জানি বাস্তব পরিস্থিতি কতটা চ্যালেঞ্জজনক। শুধু হাওর নয়, দেশের চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষকরা থাকতে চান না বা বদলি করে শহরে যেতে চান। তবে নিয়ম অনুযায়ী যেখানে পোস্টিং হয়, সেখানে থাকতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে অনেক সময় তদবির বা চাপে বদলি হয়, যা একপ্রকার সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা।’

এছাড়াও, সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণকারী সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারাও একই গ্রেডে থাকেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এতে প্রশাসনিক চেইন ভেঙে যাবে, এমন ধারণা ভুল। তবে তাদের গ্রেড উন্নয়নেরও প্রয়োজন আছে।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘কিশোরগঞ্জ জেলায় বর্তমানে ৮০৫ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণবিহীন রয়েছেন, যাদের দ্রুত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। তাছাড়া, ১৮০টি বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু হচ্ছে। একইসাথে সহকারী শিক্ষকদের মূল্যায়নও জরুরি, যা সরকার নিশ্চিত করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এন্ডিসি (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুকিত সরকার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মজিব আলম।