১২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি এখনও; ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আলোচনার পর সেটি সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তাঁর ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সভার পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে তার জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়াও, গোপন আটক কেন্দ্র ব্যবহার বড় ধরনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এছাড়াও, এই অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুম না হয়, তাই নিয়ে সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশ প্রণয়নের সময় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনা করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এটি শুধুমাত্র নীতিগত অনুমোদন; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা চালু থাকবে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার যথাযথ সুরক্ষা ও প্রতিকার পেতে সক্ষম হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি এখনও; ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আলোচনার পর সেটি সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তাঁর ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সভার পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে তার জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়াও, গোপন আটক কেন্দ্র ব্যবহার বড় ধরনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এছাড়াও, এই অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুম না হয়, তাই নিয়ে সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশ প্রণয়নের সময় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনা করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এটি শুধুমাত্র নীতিগত অনুমোদন; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা চালু থাকবে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার যথাযথ সুরক্ষা ও প্রতিকার পেতে সক্ষম হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।