১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় দেবে না। তিনি এ সিদ্ধান্তে দৃঢ় ও অটল থাকবেন বলে আশাব্যঞ্জক মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষায় সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের সমাপ্ত অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সব ধরনের উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থানের পথে সংসদের বিরোধী দলও পুরোপুরি সহযোগিতা করবে বলে তার বিশ্বাস। সমাপনী অধিবেশন সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।

দুর্নীতি দমনেও সরকারের দৃঢ় মনোভাব তুলে ধরে তিনি জানান, স্বৈরাচারী শাসনের সময়ে দুর্নীতির কারণে প্রতিবছর দেশ থেকে বিশাল পরিমাণ অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে — এক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত। দেশের অধিকাংশ সমস্যার মূল কারণ হিসেবে তিনি এই ধরনের দুর্নীতি চিহ্নিত করেন।

তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না — উচিত হলে হাত বেঁধে হোক, টুঁটি চেপে হোক, যেভাবেই হোক এই বেআইনি প্রবাহ রোধ করা হবে। পাশাপাশি জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও পেশাদার ও যোগ্য করার উদ্যোগ ছাড়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার গুরুত্বে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘মতভিন্নতা থাকবে, তা স্বাভাবিক—তবে তা শত্রুতা হিসেবে গণ্য করা হবে না। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ নয়, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানের চেতনায় ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে সংসদের বিরোধী ও সরকারি দল মিলেই দেশের এই ঐক্য রক্ষা করবে যাতে বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচারের কবলে না পরে।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যগুলো বর্তমান সরকারের নীতি ও সংকল্পের প্রতিফলন — যে দেশের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক ঐক্য রক্ষা করা তার অগ্রাধিকার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকে প্রশ্রয় দেবে না। তিনি এ সিদ্ধান্তে দৃঢ় ও অটল থাকবেন বলে আশাব্যঞ্জক মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষায় সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের সমাপ্ত অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সব ধরনের উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থানের পথে সংসদের বিরোধী দলও পুরোপুরি সহযোগিতা করবে বলে তার বিশ্বাস। সমাপনী অধিবেশন সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।

দুর্নীতি দমনেও সরকারের দৃঢ় মনোভাব তুলে ধরে তিনি জানান, স্বৈরাচারী শাসনের সময়ে দুর্নীতির কারণে প্রতিবছর দেশ থেকে বিশাল পরিমাণ অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে — এক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত। দেশের অধিকাংশ সমস্যার মূল কারণ হিসেবে তিনি এই ধরনের দুর্নীতি চিহ্নিত করেন।

তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না — উচিত হলে হাত বেঁধে হোক, টুঁটি চেপে হোক, যেভাবেই হোক এই বেআইনি প্রবাহ রোধ করা হবে। পাশাপাশি জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও পেশাদার ও যোগ্য করার উদ্যোগ ছাড়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার গুরুত্বে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘মতভিন্নতা থাকবে, তা স্বাভাবিক—তবে তা শত্রুতা হিসেবে গণ্য করা হবে না। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ নয়, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানের চেতনায় ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে সংসদের বিরোধী ও সরকারি দল মিলেই দেশের এই ঐক্য রক্ষা করবে যাতে বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচারের কবলে না পরে।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যগুলো বর্তমান সরকারের নীতি ও সংকল্পের প্রতিফলন — যে দেশের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক ঐক্য রক্ষা করা তার অগ্রাধিকার।