০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির সম্মেলন

আসছে ৮ই সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হবে দলটির দ্বি-বাষিক জেলা সম্মেলন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। শেষবার ২০১৭ সালে বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও 그 이후 আওয়ামী লীগ সরকারের নানা বাধার মুখে আর কোন সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে এবারের সম্মেলন ঘিরে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, নেতাকর্মীরা আশাবাদী যে, এই সম্মেলন দলকে আরও শক্তিশালী করবে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে, মঞ্চ তৈরি চলমান। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানাচ্ছেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে সম্মেলনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে। নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মেলনে মোট ১১ প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। প্রধান পদে একজন সভাপতি ও চারজন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০৮ জন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আর উদ্বোধন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আলোচকদের মধ্যে থাকবেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু এবং রংপুরের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই সম্মেলন দেশের आगामी জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দলের গুরুত্বপূর্ন পদে কেউ আসুক বা না আসুক, মহাসচিবের নির্দেশই মূল অংক হিসেবে কাজ করবে। দলের একটি অংশ বিশেষভাবে আশাবাদী যে, এই সম্মেলনটি নেতৃত্বের পরিবর্তন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনায় নতুন দিক নির্দেশ করবে। নির্বাচন কমিশনের অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, সম্মেলনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর পাশাপাশি সেখানে থাকবে সেনাবাহিনীও। সব মিলিয়ে, এই সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ধারা বদলে দিতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীরা আশা করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির সম্মেলন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসছে ৮ই সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হবে দলটির দ্বি-বাষিক জেলা সম্মেলন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। শেষবার ২০১৭ সালে বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও 그 이후 আওয়ামী লীগ সরকারের নানা বাধার মুখে আর কোন সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে এবারের সম্মেলন ঘিরে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, নেতাকর্মীরা আশাবাদী যে, এই সম্মেলন দলকে আরও শক্তিশালী করবে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে, মঞ্চ তৈরি চলমান। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানাচ্ছেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে সম্মেলনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে। নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মেলনে মোট ১১ প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। প্রধান পদে একজন সভাপতি ও চারজন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০৮ জন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আর উদ্বোধন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আলোচকদের মধ্যে থাকবেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু এবং রংপুরের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই সম্মেলন দেশের आगामी জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দলের গুরুত্বপূর্ন পদে কেউ আসুক বা না আসুক, মহাসচিবের নির্দেশই মূল অংক হিসেবে কাজ করবে। দলের একটি অংশ বিশেষভাবে আশাবাদী যে, এই সম্মেলনটি নেতৃত্বের পরিবর্তন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনায় নতুন দিক নির্দেশ করবে। নির্বাচন কমিশনের অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, সম্মেলনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর পাশাপাশি সেখানে থাকবে সেনাবাহিনীও। সব মিলিয়ে, এই সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ধারা বদলে দিতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীরা আশা করছেন।