০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির সম্মেলন

আসছে ৮ই সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হবে দলটির দ্বি-বাষিক জেলা সম্মেলন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। শেষবার ২০১৭ সালে বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও 그 이후 আওয়ামী লীগ সরকারের নানা বাধার মুখে আর কোন সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে এবারের সম্মেলন ঘিরে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, নেতাকর্মীরা আশাবাদী যে, এই সম্মেলন দলকে আরও শক্তিশালী করবে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে, মঞ্চ তৈরি চলমান। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানাচ্ছেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে সম্মেলনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে। নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মেলনে মোট ১১ প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। প্রধান পদে একজন সভাপতি ও চারজন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০৮ জন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আর উদ্বোধন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আলোচকদের মধ্যে থাকবেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু এবং রংপুরের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই সম্মেলন দেশের आगामी জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দলের গুরুত্বপূর্ন পদে কেউ আসুক বা না আসুক, মহাসচিবের নির্দেশই মূল অংক হিসেবে কাজ করবে। দলের একটি অংশ বিশেষভাবে আশাবাদী যে, এই সম্মেলনটি নেতৃত্বের পরিবর্তন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনায় নতুন দিক নির্দেশ করবে। নির্বাচন কমিশনের অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, সম্মেলনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর পাশাপাশি সেখানে থাকবে সেনাবাহিনীও। সব মিলিয়ে, এই সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ধারা বদলে দিতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীরা আশা করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির সম্মেলন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসছে ৮ই সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হবে দলটির দ্বি-বাষিক জেলা সম্মেলন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। শেষবার ২০১৭ সালে বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও 그 이후 আওয়ামী লীগ সরকারের নানা বাধার মুখে আর কোন সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে এবারের সম্মেলন ঘিরে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, নেতাকর্মীরা আশাবাদী যে, এই সম্মেলন দলকে আরও শক্তিশালী করবে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে, মঞ্চ তৈরি চলমান। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানাচ্ছেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে সম্মেলনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে। নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মেলনে মোট ১১ প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। প্রধান পদে একজন সভাপতি ও চারজন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০৮ জন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আর উদ্বোধন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আলোচকদের মধ্যে থাকবেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু এবং রংপুরের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই সম্মেলন দেশের आगामी জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দলের গুরুত্বপূর্ন পদে কেউ আসুক বা না আসুক, মহাসচিবের নির্দেশই মূল অংক হিসেবে কাজ করবে। দলের একটি অংশ বিশেষভাবে আশাবাদী যে, এই সম্মেলনটি নেতৃত্বের পরিবর্তন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনায় নতুন দিক নির্দেশ করবে। নির্বাচন কমিশনের অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, সম্মেলনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর পাশাপাশি সেখানে থাকবে সেনাবাহিনীও। সব মিলিয়ে, এই সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ধারা বদলে দিতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীরা আশা করছেন।