১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ আবারও হরমুজ পার হয়নি এমভি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে आज প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছর পর জেলা বিএনপির সম্মেলনে উৎসাহ ও উদ্দীপনা

অবশেষে আট বছর পরে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির দ্বি-বাষিক সম্মেলন। এই অনুষ্ঠানের জন্য নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছাস, উৎসাহ ও প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে। শেষবার এই ধরনের সম্মেলন সমাজে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের নানা বাঁধা ও বাধার কারণে আর কোন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে এবারের পরিস্থিতি একটু ভিন্ন এবং নতুন উদ্দীপনায় প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যেই মঞ্চ তৈরির কাজ সৃষ্টির পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙ্গানো হয়েছে। তবে প্রার্থীদের মনোনয়ন ও কাউন্সিলরদের বন্টন নিয়ে দলীয় নেতারা বলছেন, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।

সম্মেলনের জন্য নির্বাচনী কমিশনের তথ্যানুযায়ী, মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সভাপতি পদে এখন একজন প্রার্থী থাকলেও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন চারজন প্রার্থী। সম্মেলনে মোট কাউন্সিলর অংশগ্রহণ করবেন ৮০৮ জন।

উল্লেখ্য, সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উদ্বোধন করবেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা থাকবেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু। এছাড়া রংপুরের তিনজন সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।

প্রার্থীরা মনে করেন, এই সম্মেলন আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির জোরালো ভূমিকা রাখবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে যে কেউ আসুক না কেন, মহাসচিবের নির্দেশ মাথায় রেখে দলটি এগিয়ে যাবে।

দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তারা আশা করছেন, কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব এই সম্মেলন থেকে এগিয়ে আসবে। তবে দলের নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কথাই দল স্বাভাবিকভাবে অনুসরণ করবে। সদস্যরা পূর্ণ আস্থা নিয়ে মনে করছেন, প্রার্থী ও দলের পদের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ হবে।

নির্বাচনী কমিশনের অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান চৌধুরী জানান, সম্মেলনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর সম্মেলন উপহার দিতে প্রত্যাশী।

অপর দিকে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও নিরাপত্তার জন্য উপস্থিত থাকবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছর পর জেলা বিএনপির সম্মেলনে উৎসাহ ও উদ্দীপনা

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অবশেষে আট বছর পরে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির দ্বি-বাষিক সম্মেলন। এই অনুষ্ঠানের জন্য নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছাস, উৎসাহ ও প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে। শেষবার এই ধরনের সম্মেলন সমাজে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের নানা বাঁধা ও বাধার কারণে আর কোন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে এবারের পরিস্থিতি একটু ভিন্ন এবং নতুন উদ্দীপনায় প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যেই মঞ্চ তৈরির কাজ সৃষ্টির পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙ্গানো হয়েছে। তবে প্রার্থীদের মনোনয়ন ও কাউন্সিলরদের বন্টন নিয়ে দলীয় নেতারা বলছেন, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।

সম্মেলনের জন্য নির্বাচনী কমিশনের তথ্যানুযায়ী, মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সভাপতি পদে এখন একজন প্রার্থী থাকলেও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন চারজন প্রার্থী। সম্মেলনে মোট কাউন্সিলর অংশগ্রহণ করবেন ৮০৮ জন।

উল্লেখ্য, সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উদ্বোধন করবেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা থাকবেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু। এছাড়া রংপুরের তিনজন সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।

প্রার্থীরা মনে করেন, এই সম্মেলন আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির জোরালো ভূমিকা রাখবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে যে কেউ আসুক না কেন, মহাসচিবের নির্দেশ মাথায় রেখে দলটি এগিয়ে যাবে।

দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তারা আশা করছেন, কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব এই সম্মেলন থেকে এগিয়ে আসবে। তবে দলের নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কথাই দল স্বাভাবিকভাবে অনুসরণ করবে। সদস্যরা পূর্ণ আস্থা নিয়ে মনে করছেন, প্রার্থী ও দলের পদের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ হবে।

নির্বাচনী কমিশনের অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান চৌধুরী জানান, সম্মেলনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর সম্মেলন উপহার দিতে প্রত্যাশী।

অপর দিকে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও নিরাপত্তার জন্য উপস্থিত থাকবেন।