১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নিলামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনাকাটা কমেছে, আন্তঃব্যাংক লেনদেন শনাক্ত

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে ডলার কেনাকাটা অনেকটা কমে গেছে। এসময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনা কমে যাওয়ায় আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘এক্সচেঞ্জ রেট ও ফরেইন এক্সচেঞ্জ মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুলাই মাসের তুলনায় আগস্টে সোয়াপ ও স্পট ইন্টারব্যাংক লেনদেন উভয়ই কমেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে দৈনিক গড় স্পট লেনদেন গোল দাড়ায় ৩৩.২৩ মিলিয়ন ডলার, যা জুনের তুলনায় কম। সেই সময়টা ছিল ৪০.৭৫ মিলিয়ন ডলার। একইভাবে, সোয়াপ লেনদেনও কমে এসেছে, আগস্টে দৈনিক গড় সোয়াপ লেনদেন পড়ে ৭৭.৪ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে জুলাইয়ে ছিল ৮৬.৯৪ মিলিয়ন ডলার। জুনে স্পট লেনদেন ছিল ৬৮.৭০ মিলিয়ন ডলার, আর সোয়াপ ছিল ১১৩.৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক আগস্টে বাজার থেকে মোট ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার ডলার কিনেছে, যা টাকার বিপরীতে ডলার মূল্যায়ন রোধ করতে সহযোগিতা করে। মাস শেষে, আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারিত হয় ১ ডলার সমান ১২১ টাকা ৬৯ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘নিলামের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার না কিনলে ব্যাংকগুলো ইন্টারব্যাংকে বিক্রি করত। এখন, সেই ডলার রিজার্ভে যোগ হচ্ছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক।’ চলতি বছরের জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো ডলার জমা দেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে, ফলে দাম অস্থিতিশীল হয়নি। এর ফলে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে মূল্য রাখতে পেরেছে, যা এখন একটি stable exchange rate ধরে রাখতে সাহায্য করছে। জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ১.৮৮ বিলিয়ন ডলার কিনেছে। ব্যাংকিং sector এ ডলারের চাহিদা কমার পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, আমদানির এলসি পেমেন্ট কম থাকা এবং রেপো সুবিধার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর তহবিলের যোগান। এর ফলে, ব্যাংকগুলোতে তহবিলের চাপ অনেকটাই কমে এসেছে, যা ইন্টারব্যাংক লেনদেনের হ্রাসে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নিলামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনাকাটা কমেছে, আন্তঃব্যাংক লেনদেন শনাক্ত

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে ডলার কেনাকাটা অনেকটা কমে গেছে। এসময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনা কমে যাওয়ায় আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘এক্সচেঞ্জ রেট ও ফরেইন এক্সচেঞ্জ মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুলাই মাসের তুলনায় আগস্টে সোয়াপ ও স্পট ইন্টারব্যাংক লেনদেন উভয়ই কমেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে দৈনিক গড় স্পট লেনদেন গোল দাড়ায় ৩৩.২৩ মিলিয়ন ডলার, যা জুনের তুলনায় কম। সেই সময়টা ছিল ৪০.৭৫ মিলিয়ন ডলার। একইভাবে, সোয়াপ লেনদেনও কমে এসেছে, আগস্টে দৈনিক গড় সোয়াপ লেনদেন পড়ে ৭৭.৪ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে জুলাইয়ে ছিল ৮৬.৯৪ মিলিয়ন ডলার। জুনে স্পট লেনদেন ছিল ৬৮.৭০ মিলিয়ন ডলার, আর সোয়াপ ছিল ১১৩.৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক আগস্টে বাজার থেকে মোট ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার ডলার কিনেছে, যা টাকার বিপরীতে ডলার মূল্যায়ন রোধ করতে সহযোগিতা করে। মাস শেষে, আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারিত হয় ১ ডলার সমান ১২১ টাকা ৬৯ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘নিলামের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার না কিনলে ব্যাংকগুলো ইন্টারব্যাংকে বিক্রি করত। এখন, সেই ডলার রিজার্ভে যোগ হচ্ছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক।’ চলতি বছরের জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো ডলার জমা দেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে, ফলে দাম অস্থিতিশীল হয়নি। এর ফলে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে মূল্য রাখতে পেরেছে, যা এখন একটি stable exchange rate ধরে রাখতে সাহায্য করছে। জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ১.৮৮ বিলিয়ন ডলার কিনেছে। ব্যাংকিং sector এ ডলারের চাহিদা কমার পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, আমদানির এলসি পেমেন্ট কম থাকা এবং রেপো সুবিধার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর তহবিলের যোগান। এর ফলে, ব্যাংকগুলোতে তহবিলের চাপ অনেকটাই কমে এসেছে, যা ইন্টারব্যাংক লেনদেনের হ্রাসে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।