০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএফএর সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা পেছানোর দাবি

সরকার বর্তমানে একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরি করছে যা সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত। তবে আসন্ন বড় মৌসুমে এই নীতিমালার বাস্তবায়ন হলে ডিলারদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে দেশের সার সংকট আরও কঠোপাথর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) এই নীতিমালা কার্যকরের পেছানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।

গত বুধবার ধানমণ্ডির সীমা ব্লোসম টাওয়ারের এক কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন ডিলার অংশগ্রহণ করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএফএর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন আহমেদ।

কফিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন ইউনিয়ন ভিত্তিক ডিলার নিয়োগের প্রস্তাব এই মুহূর্তের জন্য উপযুক্ত অপশন নয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন ডিলারকে একটি গুদাম ও একটি বিক্রয়কেন্দ্র পরিচালনা করতে হয়। তবে নতুন নীতিতে একজন ডিলারকে তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র ও একটি গুদাম পরিচালনা করতে হবে, যা পরিচালনা খরচ তিন গুণে বৃদ্ধি পাবে। তদ্ব্যতীত, কমিশন পূর্বের মতো প্রতি কেজিতে ২ টাকা থাকায় সার সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

ডিলাররা এ পরিস্থিতিতে সার সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে, বিশেষ করে সরকারের দামের সঙ্গে বাজার দর সামঞ্জস্যপূর্ণ না থাকায় অস্থিরতা বাড়তে পারে। এছাড়া অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পরিবহন খরচ ও নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ব্যবসায় স্থায়িত্ব থাকাটাও চ্যালেঞ্জে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এখনই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করলে বাজারে বিশৃঙ্খলা, মৌসুমে উৎপাদন এবং সরবরাহে ব্যাঘাত, এবং কৃষকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

১৯৯৫ সালে ডিলারশীপ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি উপজেলায় এবং পরে ২০০৯ সালে জারিকৃত নতুন নিয়মানুযায়ী সারাদেশে ১০,৮০০ ডিলার এবং প্রায় ৪৫,০০০ খুচরা বিক্রেতা সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন, যা দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রূপে কাজ করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

বিএফএর সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা পেছানোর দাবি

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

সরকার বর্তমানে একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরি করছে যা সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত। তবে আসন্ন বড় মৌসুমে এই নীতিমালার বাস্তবায়ন হলে ডিলারদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে দেশের সার সংকট আরও কঠোপাথর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) এই নীতিমালা কার্যকরের পেছানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।

গত বুধবার ধানমণ্ডির সীমা ব্লোসম টাওয়ারের এক কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন ডিলার অংশগ্রহণ করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএফএর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন আহমেদ।

কফিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন ইউনিয়ন ভিত্তিক ডিলার নিয়োগের প্রস্তাব এই মুহূর্তের জন্য উপযুক্ত অপশন নয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন ডিলারকে একটি গুদাম ও একটি বিক্রয়কেন্দ্র পরিচালনা করতে হয়। তবে নতুন নীতিতে একজন ডিলারকে তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র ও একটি গুদাম পরিচালনা করতে হবে, যা পরিচালনা খরচ তিন গুণে বৃদ্ধি পাবে। তদ্ব্যতীত, কমিশন পূর্বের মতো প্রতি কেজিতে ২ টাকা থাকায় সার সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

ডিলাররা এ পরিস্থিতিতে সার সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে, বিশেষ করে সরকারের দামের সঙ্গে বাজার দর সামঞ্জস্যপূর্ণ না থাকায় অস্থিরতা বাড়তে পারে। এছাড়া অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পরিবহন খরচ ও নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ব্যবসায় স্থায়িত্ব থাকাটাও চ্যালেঞ্জে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এখনই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করলে বাজারে বিশৃঙ্খলা, মৌসুমে উৎপাদন এবং সরবরাহে ব্যাঘাত, এবং কৃষকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

১৯৯৫ সালে ডিলারশীপ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি উপজেলায় এবং পরে ২০০৯ সালে জারিকৃত নতুন নিয়মানুযায়ী সারাদেশে ১০,৮০০ ডিলার এবং প্রায় ৪৫,০০০ খুচরা বিক্রেতা সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন, যা দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রূপে কাজ করছে।