০৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএফএর সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা পেছানোর দাবি

সরকার বর্তমানে একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরি করছে যা সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত। তবে আসন্ন বড় মৌসুমে এই নীতিমালার বাস্তবায়ন হলে ডিলারদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে দেশের সার সংকট আরও কঠোপাথর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) এই নীতিমালা কার্যকরের পেছানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।

গত বুধবার ধানমণ্ডির সীমা ব্লোসম টাওয়ারের এক কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন ডিলার অংশগ্রহণ করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএফএর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন আহমেদ।

কফিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন ইউনিয়ন ভিত্তিক ডিলার নিয়োগের প্রস্তাব এই মুহূর্তের জন্য উপযুক্ত অপশন নয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন ডিলারকে একটি গুদাম ও একটি বিক্রয়কেন্দ্র পরিচালনা করতে হয়। তবে নতুন নীতিতে একজন ডিলারকে তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র ও একটি গুদাম পরিচালনা করতে হবে, যা পরিচালনা খরচ তিন গুণে বৃদ্ধি পাবে। তদ্ব্যতীত, কমিশন পূর্বের মতো প্রতি কেজিতে ২ টাকা থাকায় সার সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

ডিলাররা এ পরিস্থিতিতে সার সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে, বিশেষ করে সরকারের দামের সঙ্গে বাজার দর সামঞ্জস্যপূর্ণ না থাকায় অস্থিরতা বাড়তে পারে। এছাড়া অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পরিবহন খরচ ও নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ব্যবসায় স্থায়িত্ব থাকাটাও চ্যালেঞ্জে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এখনই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করলে বাজারে বিশৃঙ্খলা, মৌসুমে উৎপাদন এবং সরবরাহে ব্যাঘাত, এবং কৃষকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

১৯৯৫ সালে ডিলারশীপ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি উপজেলায় এবং পরে ২০০৯ সালে জারিকৃত নতুন নিয়মানুযায়ী সারাদেশে ১০,৮০০ ডিলার এবং প্রায় ৪৫,০০০ খুচরা বিক্রেতা সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন, যা দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রূপে কাজ করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএফএর সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা পেছানোর দাবি

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

সরকার বর্তমানে একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরি করছে যা সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত। তবে আসন্ন বড় মৌসুমে এই নীতিমালার বাস্তবায়ন হলে ডিলারদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে দেশের সার সংকট আরও কঠোপাথর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) এই নীতিমালা কার্যকরের পেছানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।

গত বুধবার ধানমণ্ডির সীমা ব্লোসম টাওয়ারের এক কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন ডিলার অংশগ্রহণ করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএফএর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন আহমেদ।

কফিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন ইউনিয়ন ভিত্তিক ডিলার নিয়োগের প্রস্তাব এই মুহূর্তের জন্য উপযুক্ত অপশন নয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন ডিলারকে একটি গুদাম ও একটি বিক্রয়কেন্দ্র পরিচালনা করতে হয়। তবে নতুন নীতিতে একজন ডিলারকে তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র ও একটি গুদাম পরিচালনা করতে হবে, যা পরিচালনা খরচ তিন গুণে বৃদ্ধি পাবে। তদ্ব্যতীত, কমিশন পূর্বের মতো প্রতি কেজিতে ২ টাকা থাকায় সার সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

ডিলাররা এ পরিস্থিতিতে সার সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে, বিশেষ করে সরকারের দামের সঙ্গে বাজার দর সামঞ্জস্যপূর্ণ না থাকায় অস্থিরতা বাড়তে পারে। এছাড়া অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পরিবহন খরচ ও নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ব্যবসায় স্থায়িত্ব থাকাটাও চ্যালেঞ্জে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এখনই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করলে বাজারে বিশৃঙ্খলা, মৌসুমে উৎপাদন এবং সরবরাহে ব্যাঘাত, এবং কৃষকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

১৯৯৫ সালে ডিলারশীপ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি উপজেলায় এবং পরে ২০০৯ সালে জারিকৃত নতুন নিয়মানুযায়ী সারাদেশে ১০,৮০০ ডিলার এবং প্রায় ৪৫,০০০ খুচরা বিক্রেতা সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন, যা দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রূপে কাজ করছে।