০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মেক্সিকোতে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৪৪ এ পৌঁছেছে

মেক্সিকোতে চলমান প্রবল বর্ষণের কারণে গত এক সপ্তাহের মধ্যে কমপক্ষে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভেরাক্রুজ রাজ্য এই বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মেক্সিকো সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বর্ষণ হয়েছে। এর ফলে ভেরাক্রুজ, পুয়েবলা, হিডালগো, কুয়েরেতারো এবং সান লুইস পোতোসিসহ পাঁচটি রাজ্যে ভূমিধস ও প্রাকৃতিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভেরাক্রুজে ১৮ জন, হিডালগোতে ১৬ জন, পুয়েবলায় নয়জন এবং কুয়েরেতারোতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে, কিছু সংবাদমাধ্যম যেমন এল ইউনিভার্সাল জানিয়েছে মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ৪৮।

প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রায় তিন লাখ ২০ হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কমপক্ষে ১৬ হাজার বাড়ি। চলমান বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।

বিশেষ করে, গত ৬ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত মৌসুমি ঝড় প্রিসিলা ও রেমন্ডের প্রভাবে ব্যাপক ভারী বর্ষণ হয় মেক্সিকো জুড়ে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভেরাক্রুজে তিন দিনের মধ্যে ৫৪০ মিলিমিটার (প্রায় ২১ ইঞ্চির বেশি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

১৪ অক্টোবরের পর থেকে ঝড় ও বৃষ্টির তেজ কমতে শুরু করে। এই সময়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কর্মসূচিতে সামরিক বাহিনী ও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তর সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে। দুর্যোগ দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রবল বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে ভবনসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম বলেন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে দ্রুত বাস্তুচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের সহযোগিতা দেওয়া যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

মেক্সিকোতে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৪৪ এ পৌঁছেছে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

মেক্সিকোতে চলমান প্রবল বর্ষণের কারণে গত এক সপ্তাহের মধ্যে কমপক্ষে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভেরাক্রুজ রাজ্য এই বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মেক্সিকো সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বর্ষণ হয়েছে। এর ফলে ভেরাক্রুজ, পুয়েবলা, হিডালগো, কুয়েরেতারো এবং সান লুইস পোতোসিসহ পাঁচটি রাজ্যে ভূমিধস ও প্রাকৃতিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভেরাক্রুজে ১৮ জন, হিডালগোতে ১৬ জন, পুয়েবলায় নয়জন এবং কুয়েরেতারোতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে, কিছু সংবাদমাধ্যম যেমন এল ইউনিভার্সাল জানিয়েছে মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ৪৮।

প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রায় তিন লাখ ২০ হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কমপক্ষে ১৬ হাজার বাড়ি। চলমান বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।

বিশেষ করে, গত ৬ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত মৌসুমি ঝড় প্রিসিলা ও রেমন্ডের প্রভাবে ব্যাপক ভারী বর্ষণ হয় মেক্সিকো জুড়ে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভেরাক্রুজে তিন দিনের মধ্যে ৫৪০ মিলিমিটার (প্রায় ২১ ইঞ্চির বেশি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

১৪ অক্টোবরের পর থেকে ঝড় ও বৃষ্টির তেজ কমতে শুরু করে। এই সময়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কর্মসূচিতে সামরিক বাহিনী ও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তর সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে। দুর্যোগ দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রবল বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে ভবনসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম বলেন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে দ্রুত বাস্তুচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের সহযোগিতা দেওয়া যায়।