১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রথম অধিনায়ক হিসেবে সিরিজ জয় গিলের

আহমেদাবাদের পর দিল্লি টেস্টেও ভারতের জয় নিশ্চিত ছিল। মঙ্গলবার পঞ্চম ও শেষ দিন দলটির জন্য জেতা সহজ ছিল, কারণ স্বাগতিকরা দরকার ছিল মাত্র ৫৮ রান। তাতে ৭ উইকেটের জয় নিয়ে ভারত সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে। এটি শুবমান গিলের জন্য দলের লাল বলের অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সিরিজ জয়।

সিরিজের চতুর্থ দিন, গত সোমবার, ভারত ব্যাট করে ১২১ রানের লক্ষ্যে। সারাদিনের খেলার মাঝে ১ উইকেটে ৬৩ রানে শেষ করেন লোকেশ রাহুল ও সাই সুদর্শন। মঙ্গলবার শেষ দিন স্বাগতিকরা আরও ৫৮ রান তুলতে গিয়ে ২ উইকেট হারায়। ১১তম ওভারে রোস্টন চেজের বল ধরে সুদর্শন ক্যাচ তুলে ফেরেন, তিনি ৩৯ রানে খেলছিলেন। অধিনায়ক গিল দ্রুত আউট হন, মাত্র ১৩ রান করে। আবার অন্যদিকে রাহুল অবিচল থেকে ৫৮ রান অপরাজিত রেখে দলকে জেতান। অনবরত ব্যাট করে ৬ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন ধ্রুভ জুরেলও।

জয়ের পর গিল জানান, অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার পথে তিনি। এই ডানহাতি ব্যাটারের ভাষ্য, ‘ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার অনুভূতি বড় গর্বের। এখন আমি এর সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি। দলকে পরিচালনা, অধিনায়কত্বের এই দায়িত্ব বড় প্রাপ্তি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অধিনায়কত্বের মূল বিষয় হলো, ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। সেক্ষেত্রে আমি চেষ্টা করি সেরা বিকল্প বেছে নিতে। কখনো কখনো সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ রান করতে বা উইকেট নিতে হয়।’

আহমেদাবাদে সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংস ও ১৪০ রানে হেরেছিল। ওই হার থেকেই দ্বিতীয় টেস্টে ভালো পারফর্ম করে ক্যারিবিয়ানরা। সেখানে দুই ইনিংস মিলিয়ে তারা ২০০ ওভার বেশি ব্যাট করে, ফলো অনে পড়ে ১১৮.৫ ওভার। প্রথম ইনিংসে জন ক্যাম্পবেল ১১৫ রান করেন, শেই হোপ করেন ১০৩। জাস্টিন গ্রিভস অপরাজিত থাকেন ফিফটির সঙ্গে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়ায় সব উইকেটের বিনিময়ে ৩৯০ রান। তবে ভারতের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট হারিয়ে ৫১৮ রান করেও নিজেদের এগিয়ে যেতে পারেনি। ক্যারিবিয়ানরা প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৪৮ রান করে।

দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নেওয়া কুলদীপ যাদব ম্যাচসেরা। আর দুই টেস্টের এক ইনিংসে অপরাজিত থেকে সেঞ্চুরি হাঁকানো রবীন্দ্র জাদেজা সিরিজসেরা মানা হয়। দুই টেস্টে মোট ৮ উইকেট নিয়েছেন এ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

ভারতের এই জয়ে, টানা দশ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হারানো রেকর্ড ভেঙে গেছে। ১৯৯৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই ক্যারিবিয়ান দলের ওপর ভারতের জয় অব্যাহত রয়েছে। ২০০২ থেকে এখন পর্যন্ত টানা ১০টি টেস্ট সিরিজ ভারতের জয়। প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় পাওয়ার পর গিলের ব্যস্ততা কমছে না। আজ বুধবার তিনি অস্ট্রেলিয়ায় রওনা দিচ্ছেন। সেখানে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে নতুন পথচলা শুরু করবেন ২৬ বছর বয়সী গিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রথম অধিনায়ক হিসেবে সিরিজ জয় গিলের

প্রকাশিতঃ ১০:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

আহমেদাবাদের পর দিল্লি টেস্টেও ভারতের জয় নিশ্চিত ছিল। মঙ্গলবার পঞ্চম ও শেষ দিন দলটির জন্য জেতা সহজ ছিল, কারণ স্বাগতিকরা দরকার ছিল মাত্র ৫৮ রান। তাতে ৭ উইকেটের জয় নিয়ে ভারত সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে। এটি শুবমান গিলের জন্য দলের লাল বলের অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সিরিজ জয়।

সিরিজের চতুর্থ দিন, গত সোমবার, ভারত ব্যাট করে ১২১ রানের লক্ষ্যে। সারাদিনের খেলার মাঝে ১ উইকেটে ৬৩ রানে শেষ করেন লোকেশ রাহুল ও সাই সুদর্শন। মঙ্গলবার শেষ দিন স্বাগতিকরা আরও ৫৮ রান তুলতে গিয়ে ২ উইকেট হারায়। ১১তম ওভারে রোস্টন চেজের বল ধরে সুদর্শন ক্যাচ তুলে ফেরেন, তিনি ৩৯ রানে খেলছিলেন। অধিনায়ক গিল দ্রুত আউট হন, মাত্র ১৩ রান করে। আবার অন্যদিকে রাহুল অবিচল থেকে ৫৮ রান অপরাজিত রেখে দলকে জেতান। অনবরত ব্যাট করে ৬ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন ধ্রুভ জুরেলও।

জয়ের পর গিল জানান, অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার পথে তিনি। এই ডানহাতি ব্যাটারের ভাষ্য, ‘ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার অনুভূতি বড় গর্বের। এখন আমি এর সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি। দলকে পরিচালনা, অধিনায়কত্বের এই দায়িত্ব বড় প্রাপ্তি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অধিনায়কত্বের মূল বিষয় হলো, ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। সেক্ষেত্রে আমি চেষ্টা করি সেরা বিকল্প বেছে নিতে। কখনো কখনো সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ রান করতে বা উইকেট নিতে হয়।’

আহমেদাবাদে সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংস ও ১৪০ রানে হেরেছিল। ওই হার থেকেই দ্বিতীয় টেস্টে ভালো পারফর্ম করে ক্যারিবিয়ানরা। সেখানে দুই ইনিংস মিলিয়ে তারা ২০০ ওভার বেশি ব্যাট করে, ফলো অনে পড়ে ১১৮.৫ ওভার। প্রথম ইনিংসে জন ক্যাম্পবেল ১১৫ রান করেন, শেই হোপ করেন ১০৩। জাস্টিন গ্রিভস অপরাজিত থাকেন ফিফটির সঙ্গে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়ায় সব উইকেটের বিনিময়ে ৩৯০ রান। তবে ভারতের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট হারিয়ে ৫১৮ রান করেও নিজেদের এগিয়ে যেতে পারেনি। ক্যারিবিয়ানরা প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৪৮ রান করে।

দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নেওয়া কুলদীপ যাদব ম্যাচসেরা। আর দুই টেস্টের এক ইনিংসে অপরাজিত থেকে সেঞ্চুরি হাঁকানো রবীন্দ্র জাদেজা সিরিজসেরা মানা হয়। দুই টেস্টে মোট ৮ উইকেট নিয়েছেন এ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

ভারতের এই জয়ে, টানা দশ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হারানো রেকর্ড ভেঙে গেছে। ১৯৯৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই ক্যারিবিয়ান দলের ওপর ভারতের জয় অব্যাহত রয়েছে। ২০০২ থেকে এখন পর্যন্ত টানা ১০টি টেস্ট সিরিজ ভারতের জয়। প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় পাওয়ার পর গিলের ব্যস্ততা কমছে না। আজ বুধবার তিনি অস্ট্রেলিয়ায় রওনা দিচ্ছেন। সেখানে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে নতুন পথচলা শুরু করবেন ২৬ বছর বয়সী গিল।