১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি যুক্তরাজ্য নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী সরানোর নির্দেশ দিলেন অভিনন্দনবাণী সহ বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত অপসারণের অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৯ম দিনের শুনানি চলছে

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উচ্চ আদালতে চলমান আনুষ্ঠানিক শুনানির টানা নবম দিন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯:৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ শুনানি শুরু করেন। আদালত কক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ২২, ২৩, ২৮, ২৯ নভেম্বর এবং ২, ৪ নভেম্বর ও ২১ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শুনানি চলছিল। ২১ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ অন্যরা। হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ করে এই ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করেন। এর পর, এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দিয়ে ২০০৫ সালে আপিল দাখিল হয়। ২০১১ সালে উচ্চ আদালত সেই ব্যাপারে সংবিধানের একটি সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

সেই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল ও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবং নাটোরের মো. মোফাজ্জল হোসেনের মতো অসংখ্য ব্যক্তি বারের পর বারের আবেদন করেন।

এনিয়ে চলমান এই শুনানির মাধ্যমে বিচারকরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এর বৈধতা ও সংবিধান সম্মততার বিষয়টি নির্ণয় করবেন। বিভিন্ন পক্ষের আবেদন ও যুক্তিগুলো শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৯ম দিনের শুনানি চলছে

প্রকাশিতঃ ০১:০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উচ্চ আদালতে চলমান আনুষ্ঠানিক শুনানির টানা নবম দিন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯:৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ শুনানি শুরু করেন। আদালত কক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ২২, ২৩, ২৮, ২৯ নভেম্বর এবং ২, ৪ নভেম্বর ও ২১ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শুনানি চলছিল। ২১ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ অন্যরা। হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ করে এই ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করেন। এর পর, এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দিয়ে ২০০৫ সালে আপিল দাখিল হয়। ২০১১ সালে উচ্চ আদালত সেই ব্যাপারে সংবিধানের একটি সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

সেই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল ও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবং নাটোরের মো. মোফাজ্জল হোসেনের মতো অসংখ্য ব্যক্তি বারের পর বারের আবেদন করেন।

এনিয়ে চলমান এই শুনানির মাধ্যমে বিচারকরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এর বৈধতা ও সংবিধান সম্মততার বিষয়টি নির্ণয় করবেন। বিভিন্ন পক্ষের আবেদন ও যুক্তিগুলো শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।