১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৯ম দিনের শুনানি চলছে

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উচ্চ আদালতে চলমান আনুষ্ঠানিক শুনানির টানা নবম দিন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯:৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ শুনানি শুরু করেন। আদালত কক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ২২, ২৩, ২৮, ২৯ নভেম্বর এবং ২, ৪ নভেম্বর ও ২১ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শুনানি চলছিল। ২১ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ অন্যরা। হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ করে এই ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করেন। এর পর, এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দিয়ে ২০০৫ সালে আপিল দাখিল হয়। ২০১১ সালে উচ্চ আদালত সেই ব্যাপারে সংবিধানের একটি সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

সেই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল ও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবং নাটোরের মো. মোফাজ্জল হোসেনের মতো অসংখ্য ব্যক্তি বারের পর বারের আবেদন করেন।

এনিয়ে চলমান এই শুনানির মাধ্যমে বিচারকরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এর বৈধতা ও সংবিধান সম্মততার বিষয়টি নির্ণয় করবেন। বিভিন্ন পক্ষের আবেদন ও যুক্তিগুলো শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৯ম দিনের শুনানি চলছে

প্রকাশিতঃ ০১:০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উচ্চ আদালতে চলমান আনুষ্ঠানিক শুনানির টানা নবম দিন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯:৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ শুনানি শুরু করেন। আদালত কক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ২২, ২৩, ২৮, ২৯ নভেম্বর এবং ২, ৪ নভেম্বর ও ২১ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শুনানি চলছিল। ২১ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ অন্যরা। হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ করে এই ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করেন। এর পর, এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দিয়ে ২০০৫ সালে আপিল দাখিল হয়। ২০১১ সালে উচ্চ আদালত সেই ব্যাপারে সংবিধানের একটি সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

সেই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল ও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবং নাটোরের মো. মোফাজ্জল হোসেনের মতো অসংখ্য ব্যক্তি বারের পর বারের আবেদন করেন।

এনিয়ে চলমান এই শুনানির মাধ্যমে বিচারকরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এর বৈধতা ও সংবিধান সম্মততার বিষয়টি নির্ণয় করবেন। বিভিন্ন পক্ষের আবেদন ও যুক্তিগুলো শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।