০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৯ম দিনের শুনানি চলছে

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উচ্চ আদালতে চলমান আনুষ্ঠানিক শুনানির টানা নবম দিন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯:৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ শুনানি শুরু করেন। আদালত কক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ২২, ২৩, ২৮, ২৯ নভেম্বর এবং ২, ৪ নভেম্বর ও ২১ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শুনানি চলছিল। ২১ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ অন্যরা। হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ করে এই ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করেন। এর পর, এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দিয়ে ২০০৫ সালে আপিল দাখিল হয়। ২০১১ সালে উচ্চ আদালত সেই ব্যাপারে সংবিধানের একটি সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

সেই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল ও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবং নাটোরের মো. মোফাজ্জল হোসেনের মতো অসংখ্য ব্যক্তি বারের পর বারের আবেদন করেন।

এনিয়ে চলমান এই শুনানির মাধ্যমে বিচারকরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এর বৈধতা ও সংবিধান সম্মততার বিষয়টি নির্ণয় করবেন। বিভিন্ন পক্ষের আবেদন ও যুক্তিগুলো শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৯ম দিনের শুনানি চলছে

প্রকাশিতঃ ০১:০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে উচ্চ আদালতে চলমান আনুষ্ঠানিক শুনানির টানা নবম দিন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯:৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ শুনানি শুরু করেন। আদালত কক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ২২, ২৩, ২৮, ২৯ নভেম্বর এবং ২, ৪ নভেম্বর ও ২১ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শুনানি চলছিল। ২১ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ অন্যরা। হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ করে এই ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করেন। এর পর, এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দিয়ে ২০০৫ সালে আপিল দাখিল হয়। ২০১১ সালে উচ্চ আদালত সেই ব্যাপারে সংবিধানের একটি সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

সেই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল ও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবং নাটোরের মো. মোফাজ্জল হোসেনের মতো অসংখ্য ব্যক্তি বারের পর বারের আবেদন করেন।

এনিয়ে চলমান এই শুনানির মাধ্যমে বিচারকরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এর বৈধতা ও সংবিধান সম্মততার বিষয়টি নির্ণয় করবেন। বিভিন্ন পক্ষের আবেদন ও যুক্তিগুলো শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।