০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের

দেশের বাজারে আবারো ভোজ্যতেলের (সয়াবিন) মূল্য বৃদ্ধি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা সুপারিশ করেছে লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানোর জন্য, যা আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতার কারণে এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে প্রভাবিত হয়েছে। গড় এলসি মূল্য, ইনবন্ড চার্জ এবং এক্সবন্ড খরচের বৃদ্ধির সুবিধা নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বছরের শেষের দিকে আবারো মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, গত ২৭ জুলাই তেলের মূল্য সমন্বয় সভায় ৩ আগস্ট থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১৮৯ টাকায় বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যে প্রভাব পড়তে শুরু করে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিনের খরচ পড়ে ১ হাজার ৬২ ডলার, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৭ ডলার, ফলে দেশের বাজারে এই মূল্য পৌঁছেছে। এর ফলে, তেলের দাম পুনরায় বাড়ানোর জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৬০ পয়সা দিয়ে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম সুপার তেলর মূল্য সমন্বয় করা হবে। লিটারপ্রতি বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, খোলাবাজারে ১ লিটার সয়াবিনের দাম ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা হবে, যা আগের থেকে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দামেভালো ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারাবাহিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ消费者রা আরও কঠিন সময়ে পড়তে পারেন, আর পাত্রা ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

দেশের বাজারে আবারো ভোজ্যতেলের (সয়াবিন) মূল্য বৃদ্ধি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা সুপারিশ করেছে লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানোর জন্য, যা আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতার কারণে এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে প্রভাবিত হয়েছে। গড় এলসি মূল্য, ইনবন্ড চার্জ এবং এক্সবন্ড খরচের বৃদ্ধির সুবিধা নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বছরের শেষের দিকে আবারো মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, গত ২৭ জুলাই তেলের মূল্য সমন্বয় সভায় ৩ আগস্ট থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১৮৯ টাকায় বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যে প্রভাব পড়তে শুরু করে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিনের খরচ পড়ে ১ হাজার ৬২ ডলার, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৭ ডলার, ফলে দেশের বাজারে এই মূল্য পৌঁছেছে। এর ফলে, তেলের দাম পুনরায় বাড়ানোর জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৬০ পয়সা দিয়ে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম সুপার তেলর মূল্য সমন্বয় করা হবে। লিটারপ্রতি বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, খোলাবাজারে ১ লিটার সয়াবিনের দাম ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা হবে, যা আগের থেকে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দামেভালো ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারাবাহিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ消费者রা আরও কঠিন সময়ে পড়তে পারেন, আর পাত্রা ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।