০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের

দেশের বাজারে আবারো ভোজ্যতেলের (সয়াবিন) মূল্য বৃদ্ধি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা সুপারিশ করেছে লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানোর জন্য, যা আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতার কারণে এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে প্রভাবিত হয়েছে। গড় এলসি মূল্য, ইনবন্ড চার্জ এবং এক্সবন্ড খরচের বৃদ্ধির সুবিধা নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বছরের শেষের দিকে আবারো মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, গত ২৭ জুলাই তেলের মূল্য সমন্বয় সভায় ৩ আগস্ট থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১৮৯ টাকায় বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যে প্রভাব পড়তে শুরু করে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিনের খরচ পড়ে ১ হাজার ৬২ ডলার, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৭ ডলার, ফলে দেশের বাজারে এই মূল্য পৌঁছেছে। এর ফলে, তেলের দাম পুনরায় বাড়ানোর জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৬০ পয়সা দিয়ে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম সুপার তেলর মূল্য সমন্বয় করা হবে। লিটারপ্রতি বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, খোলাবাজারে ১ লিটার সয়াবিনের দাম ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা হবে, যা আগের থেকে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দামেভালো ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারাবাহিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ消费者রা আরও কঠিন সময়ে পড়তে পারেন, আর পাত্রা ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

দেশের বাজারে আবারো ভোজ্যতেলের (সয়াবিন) মূল্য বৃদ্ধি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা সুপারিশ করেছে লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানোর জন্য, যা আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতার কারণে এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে প্রভাবিত হয়েছে। গড় এলসি মূল্য, ইনবন্ড চার্জ এবং এক্সবন্ড খরচের বৃদ্ধির সুবিধা নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বছরের শেষের দিকে আবারো মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, গত ২৭ জুলাই তেলের মূল্য সমন্বয় সভায় ৩ আগস্ট থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১৮৯ টাকায় বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যে প্রভাব পড়তে শুরু করে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিনের খরচ পড়ে ১ হাজার ৬২ ডলার, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৭ ডলার, ফলে দেশের বাজারে এই মূল্য পৌঁছেছে। এর ফলে, তেলের দাম পুনরায় বাড়ানোর জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৬০ পয়সা দিয়ে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম সুপার তেলর মূল্য সমন্বয় করা হবে। লিটারপ্রতি বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, খোলাবাজারে ১ লিটার সয়াবিনের দাম ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা হবে, যা আগের থেকে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দামেভালো ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারাবাহিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ消费者রা আরও কঠিন সময়ে পড়তে পারেন, আর পাত্রা ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।