০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের

দেশের বাজারে আবারো ভোজ্যতেলের (সয়াবিন) মূল্য বৃদ্ধি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা সুপারিশ করেছে লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানোর জন্য, যা আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতার কারণে এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে প্রভাবিত হয়েছে। গড় এলসি মূল্য, ইনবন্ড চার্জ এবং এক্সবন্ড খরচের বৃদ্ধির সুবিধা নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বছরের শেষের দিকে আবারো মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, গত ২৭ জুলাই তেলের মূল্য সমন্বয় সভায় ৩ আগস্ট থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১৮৯ টাকায় বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যে প্রভাব পড়তে শুরু করে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিনের খরচ পড়ে ১ হাজার ৬২ ডলার, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৭ ডলার, ফলে দেশের বাজারে এই মূল্য পৌঁছেছে। এর ফলে, তেলের দাম পুনরায় বাড়ানোর জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৬০ পয়সা দিয়ে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম সুপার তেলর মূল্য সমন্বয় করা হবে। লিটারপ্রতি বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, খোলাবাজারে ১ লিটার সয়াবিনের দাম ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা হবে, যা আগের থেকে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দামেভালো ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারাবাহিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ消费者রা আরও কঠিন সময়ে পড়তে পারেন, আর পাত্রা ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

দেশের বাজারে আবারো ভোজ্যতেলের (সয়াবিন) মূল্য বৃদ্ধি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা সুপারিশ করেছে লিটারপ্রতি সয়াবিনের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানোর জন্য, যা আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতার কারণে এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে প্রভাবিত হয়েছে। গড় এলসি মূল্য, ইনবন্ড চার্জ এবং এক্সবন্ড খরচের বৃদ্ধির সুবিধা নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বছরের শেষের দিকে আবারো মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, গত ২৭ জুলাই তেলের মূল্য সমন্বয় সভায় ৩ আগস্ট থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১৮৯ টাকায় বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যে প্রভাব পড়তে শুরু করে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিনের খরচ পড়ে ১ হাজার ৬২ ডলার, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৭ ডলার, ফলে দেশের বাজারে এই মূল্য পৌঁছেছে। এর ফলে, তেলের দাম পুনরায় বাড়ানোর জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৬০ পয়সা দিয়ে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম সুপার তেলর মূল্য সমন্বয় করা হবে। লিটারপ্রতি বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, খোলাবাজারে ১ লিটার সয়াবিনের দাম ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা হবে, যা আগের থেকে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দামেভালো ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারাবাহিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ消费者রা আরও কঠিন সময়ে পড়তে পারেন, আর পাত্রা ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।