০২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাশিয়া একচুলও পিছপা হবে না: ল্যাভরভ

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে রাশিয়া তার মূল শর্তগুলোর বাইরে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। গত রোববার রুশ সরকারি বার্তা সংস্থা আরআইএ নোভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আলোচনায় রাজি, কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অটল।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য তারা নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকেও প্রস্তুত রয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়েও ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে বহু চেষ্টা চালানো হয়, যদিও সেই উদ্যোগ এখনও সফল হয়নি। গত মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠকটি হঠাৎ বাতিল করে দেন ট্রাম্প। এর ফলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, পুতিন ল্যাভরভের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করে। তারা জানায়, রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে আসবে না। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল— ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল এবং দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া—এই চারটি প্রদেশকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে থাকা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহার। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চল। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কখনোই এই দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিছু অঞ্চল বাস্তবে রাশিয়ার দখলে থাকলেও, আইনের দিক থেকে তা রাশিয়ার নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমার নেই।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

রাশিয়া একচুলও পিছপা হবে না: ল্যাভরভ

প্রকাশিতঃ ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে রাশিয়া তার মূল শর্তগুলোর বাইরে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। গত রোববার রুশ সরকারি বার্তা সংস্থা আরআইএ নোভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আলোচনায় রাজি, কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অটল।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য তারা নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকেও প্রস্তুত রয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়েও ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে বহু চেষ্টা চালানো হয়, যদিও সেই উদ্যোগ এখনও সফল হয়নি। গত মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠকটি হঠাৎ বাতিল করে দেন ট্রাম্প। এর ফলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, পুতিন ল্যাভরভের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করে। তারা জানায়, রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে আসবে না। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল— ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল এবং দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া—এই চারটি প্রদেশকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে থাকা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহার। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চল। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কখনোই এই দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিছু অঞ্চল বাস্তবে রাশিয়ার দখলে থাকলেও, আইনের দিক থেকে তা রাশিয়ার নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমার নেই।’