০২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রাশিয়া একচুলও পিছপা হবে না: ল্যাভরভ

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে রাশিয়া তার মূল শর্তগুলোর বাইরে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। গত রোববার রুশ সরকারি বার্তা সংস্থা আরআইএ নোভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আলোচনায় রাজি, কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অটল।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য তারা নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকেও প্রস্তুত রয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়েও ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে বহু চেষ্টা চালানো হয়, যদিও সেই উদ্যোগ এখনও সফল হয়নি। গত মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠকটি হঠাৎ বাতিল করে দেন ট্রাম্প। এর ফলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, পুতিন ল্যাভরভের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করে। তারা জানায়, রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে আসবে না। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল— ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল এবং দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া—এই চারটি প্রদেশকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে থাকা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহার। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চল। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কখনোই এই দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিছু অঞ্চল বাস্তবে রাশিয়ার দখলে থাকলেও, আইনের দিক থেকে তা রাশিয়ার নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমার নেই।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রাশিয়া একচুলও পিছপা হবে না: ল্যাভরভ

প্রকাশিতঃ ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে রাশিয়া তার মূল শর্তগুলোর বাইরে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। গত রোববার রুশ সরকারি বার্তা সংস্থা আরআইএ নোভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আলোচনায় রাজি, কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অটল।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য তারা নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকেও প্রস্তুত রয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়েও ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে বহু চেষ্টা চালানো হয়, যদিও সেই উদ্যোগ এখনও সফল হয়নি। গত মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠকটি হঠাৎ বাতিল করে দেন ট্রাম্প। এর ফলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, পুতিন ল্যাভরভের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করে। তারা জানায়, রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে আসবে না। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল— ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল এবং দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া—এই চারটি প্রদেশকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে থাকা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহার। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চল। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কখনোই এই দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিছু অঞ্চল বাস্তবে রাশিয়ার দখলে থাকলেও, আইনের দিক থেকে তা রাশিয়ার নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমার নেই।’