১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

রাশিয়া একচুলও পিছপা হবে না: ল্যাভরভ

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে রাশিয়া তার মূল শর্তগুলোর বাইরে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। গত রোববার রুশ সরকারি বার্তা সংস্থা আরআইএ নোভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আলোচনায় রাজি, কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অটল।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য তারা নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকেও প্রস্তুত রয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়েও ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে বহু চেষ্টা চালানো হয়, যদিও সেই উদ্যোগ এখনও সফল হয়নি। গত মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠকটি হঠাৎ বাতিল করে দেন ট্রাম্প। এর ফলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, পুতিন ল্যাভরভের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করে। তারা জানায়, রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে আসবে না। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল— ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল এবং দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া—এই চারটি প্রদেশকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে থাকা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহার। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চল। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কখনোই এই দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিছু অঞ্চল বাস্তবে রাশিয়ার দখলে থাকলেও, আইনের দিক থেকে তা রাশিয়ার নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমার নেই।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

রাশিয়া একচুলও পিছপা হবে না: ল্যাভরভ

প্রকাশিতঃ ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে রাশিয়া তার মূল শর্তগুলোর বাইরে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। গত রোববার রুশ সরকারি বার্তা সংস্থা আরআইএ নোভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আলোচনায় রাজি, কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অটল।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এজন্য তারা নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকেও প্রস্তুত রয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়েও ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে বহু চেষ্টা চালানো হয়, যদিও সেই উদ্যোগ এখনও সফল হয়নি। গত মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠকটি হঠাৎ বাতিল করে দেন ট্রাম্প। এর ফলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, পুতিন ল্যাভরভের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করে। তারা জানায়, রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে আসবে না। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল— ইউক্রেনের ন্যাটোয় যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল এবং দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া—এই চারটি প্রদেশকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে থাকা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহার। বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চল। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কখনোই এই দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিছু অঞ্চল বাস্তবে রাশিয়ার দখলে থাকলেও, আইনের দিক থেকে তা রাশিয়ার নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমার নেই।’