০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

বর্তমানে দেশের বাজারে শীতের প্রভাবের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, মৌসুমি সবজির ব্যাপক উপস্থিতি ও সরবরাহের বৃদ্ধির ফলে দামও কমে আসছে। বিভিন্ন শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, শিম, লাউ, টমেটো ইত্যাদি এখন সাধারণত নিম্নদরে বিক্রি হচ্ছে। গত তিন বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ও রাজশাহীতে এই সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—ফুলকপির উৎপাদন ১৪ শতাংশ এবং বাঁধাকপির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, মৌসুমের শুরুতে এই সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকতেই পারে কারণ প্রথম আসা ফসলগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় এবং সরবরাহ কম থাকে। তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই বছরও ভালো ফলন ও দাম পাবেন। ঢাকায় মূল বাজারগুলোতে, যেমন কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও বনলতা বাজারে, সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় কিনে পরে পাইকারি দামে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি এসব সবজি বিক্রি করছেন বলে জানান, যশোরের কৃষক আবদুস সাত্তার এ বছর সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। আপাতত কিছু মৌসুমী বাঁধাকপি বিক্রি করে লাভের আশা করছেন। অন্যদিকে, বাজারে গড় দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বাজারে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা। বিক্রেতারা ব্যাখ্যা করছেন, ফিডের দাম ও খামারের অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির ধারা। একজন বিক্রেতা বলেন, “গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে, তাই বাজারে দামও উঠেছে।” মাছের বাজারেও এখন ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমছে না। মাঝারি আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়, বড় আকারের ইলিশের দরে কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় উঠেছে। অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতল, ও মৃগেলও মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবমিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ইতিবাচক খবর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বর্তমানে দেশের বাজারে শীতের প্রভাবের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, মৌসুমি সবজির ব্যাপক উপস্থিতি ও সরবরাহের বৃদ্ধির ফলে দামও কমে আসছে। বিভিন্ন শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, শিম, লাউ, টমেটো ইত্যাদি এখন সাধারণত নিম্নদরে বিক্রি হচ্ছে। গত তিন বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ও রাজশাহীতে এই সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—ফুলকপির উৎপাদন ১৪ শতাংশ এবং বাঁধাকপির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, মৌসুমের শুরুতে এই সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকতেই পারে কারণ প্রথম আসা ফসলগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় এবং সরবরাহ কম থাকে। তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই বছরও ভালো ফলন ও দাম পাবেন। ঢাকায় মূল বাজারগুলোতে, যেমন কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও বনলতা বাজারে, সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় কিনে পরে পাইকারি দামে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি এসব সবজি বিক্রি করছেন বলে জানান, যশোরের কৃষক আবদুস সাত্তার এ বছর সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। আপাতত কিছু মৌসুমী বাঁধাকপি বিক্রি করে লাভের আশা করছেন। অন্যদিকে, বাজারে গড় দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বাজারে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা। বিক্রেতারা ব্যাখ্যা করছেন, ফিডের দাম ও খামারের অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির ধারা। একজন বিক্রেতা বলেন, “গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে, তাই বাজারে দামও উঠেছে।” মাছের বাজারেও এখন ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমছে না। মাঝারি আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়, বড় আকারের ইলিশের দরে কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় উঠেছে। অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতল, ও মৃগেলও মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবমিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ইতিবাচক খবর।