০২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছাড়াতে পারে তিন বিলিয়ন ডলার

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে। চলতি ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছেন প্রায় ২১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই পরিমাণ টাকা বাংলাদেশের মুদ্রায় রূপান্তর করলে প্রতি ডলার ধরা হয়েছে ১২২ টাকা, যার মানে মোট অর্থ হিসেব দাঁড়ায় চব্বিশ হাজার ছয়শো چুরাশি কোটি অর্থাৎ ২৬ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি এই ধারা বজায় থাকে, তাহলে ডিসেম্বরের মাসে মোট রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে রোববার (২১ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি ডলার বেশি অর্থ জমা পড়েছে। গত বছরের ওই সময় ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বর্তমান অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০৯ কোটি ডলার বেশি। এর আগে ওই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধির হার আরও বেশি হয়েছে, যা ১৫.৯ শতাংশ।

অতীতে, শুধুমাত্র রমজান ও ঈদ মৌসুমে এক মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার থেকে বেশি। এর কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণায় বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর উৎসাহ বৃদ্ধি ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা উল্লেখ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় হলো: জুলাইতে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৯ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৫৬.৩৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮.৯৫ কোটি ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল সর্বোচ্চ ৩২৯ কোট ডলার, যা ওই অর্থবছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় মোট ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার erreicht, যা আগের বছর থেকে ২৬.৮ শতাংশ বেশি। আগের বছরে (২০২৩-২৪) মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সোনারগাঁয়ে এক কেন্দ্রে ১৭৭ পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের প্রশ্ন, পরে পুনরায় পরীক্ষা

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছাড়াতে পারে তিন বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে। চলতি ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছেন প্রায় ২১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই পরিমাণ টাকা বাংলাদেশের মুদ্রায় রূপান্তর করলে প্রতি ডলার ধরা হয়েছে ১২২ টাকা, যার মানে মোট অর্থ হিসেব দাঁড়ায় চব্বিশ হাজার ছয়শো چুরাশি কোটি অর্থাৎ ২৬ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি এই ধারা বজায় থাকে, তাহলে ডিসেম্বরের মাসে মোট রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে রোববার (২১ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি ডলার বেশি অর্থ জমা পড়েছে। গত বছরের ওই সময় ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বর্তমান অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০৯ কোটি ডলার বেশি। এর আগে ওই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধির হার আরও বেশি হয়েছে, যা ১৫.৯ শতাংশ।

অতীতে, শুধুমাত্র রমজান ও ঈদ মৌসুমে এক মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার থেকে বেশি। এর কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণায় বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর উৎসাহ বৃদ্ধি ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা উল্লেখ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় হলো: জুলাইতে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৯ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৫৬.৩৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮.৯৫ কোটি ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল সর্বোচ্চ ৩২৯ কোট ডলার, যা ওই অর্থবছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় মোট ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার erreicht, যা আগের বছর থেকে ২৬.৮ শতাংশ বেশি। আগের বছরে (২০২৩-২৪) মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।