০৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছাড়াতে পারে তিন বিলিয়ন ডলার

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে। চলতি ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছেন প্রায় ২১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই পরিমাণ টাকা বাংলাদেশের মুদ্রায় রূপান্তর করলে প্রতি ডলার ধরা হয়েছে ১২২ টাকা, যার মানে মোট অর্থ হিসেব দাঁড়ায় চব্বিশ হাজার ছয়শো چুরাশি কোটি অর্থাৎ ২৬ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি এই ধারা বজায় থাকে, তাহলে ডিসেম্বরের মাসে মোট রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে রোববার (২১ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি ডলার বেশি অর্থ জমা পড়েছে। গত বছরের ওই সময় ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বর্তমান অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০৯ কোটি ডলার বেশি। এর আগে ওই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধির হার আরও বেশি হয়েছে, যা ১৫.৯ শতাংশ।

অতীতে, শুধুমাত্র রমজান ও ঈদ মৌসুমে এক মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার থেকে বেশি। এর কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণায় বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর উৎসাহ বৃদ্ধি ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা উল্লেখ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় হলো: জুলাইতে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৯ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৫৬.৩৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮.৯৫ কোটি ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল সর্বোচ্চ ৩২৯ কোট ডলার, যা ওই অর্থবছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় মোট ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার erreicht, যা আগের বছর থেকে ২৬.৮ শতাংশ বেশি। আগের বছরে (২০২৩-২৪) মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছাড়াতে পারে তিন বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে। চলতি ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছেন প্রায় ২১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই পরিমাণ টাকা বাংলাদেশের মুদ্রায় রূপান্তর করলে প্রতি ডলার ধরা হয়েছে ১২২ টাকা, যার মানে মোট অর্থ হিসেব দাঁড়ায় চব্বিশ হাজার ছয়শো چুরাশি কোটি অর্থাৎ ২৬ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি এই ধারা বজায় থাকে, তাহলে ডিসেম্বরের মাসে মোট রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে রোববার (২১ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি ডলার বেশি অর্থ জমা পড়েছে। গত বছরের ওই সময় ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বর্তমান অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০৯ কোটি ডলার বেশি। এর আগে ওই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধির হার আরও বেশি হয়েছে, যা ১৫.৯ শতাংশ।

অতীতে, শুধুমাত্র রমজান ও ঈদ মৌসুমে এক মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার থেকে বেশি। এর কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণায় বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর উৎসাহ বৃদ্ধি ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা উল্লেখ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় হলো: জুলাইতে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৯ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৫৬.৩৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮.৯৫ কোটি ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল সর্বোচ্চ ৩২৯ কোট ডলার, যা ওই অর্থবছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় মোট ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার erreicht, যা আগের বছর থেকে ২৬.৮ শতাংশ বেশি। আগের বছরে (২০২৩-২৪) মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।