০৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ওয়ার সিমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্মারক এই ওয়ার সিমেট্রে পরিদর্শন করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সোয়া আটটার দিকে তিনি এ স্মৃতিস্তম্ভটি পরিদর্শনে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন।

মেয়র শাহাদাত হোসেন তাঁর ফেসবুকে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন, পরিদর্শনকালে তিনি রাষ্ট্রদূতকে শহীদ সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য দেখিয়েছেন। পাশাপাশি, ওয়ার সিমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

এ সময় মেয়র তাঁকে চট্টগ্রাম কেয়ার আধুনিক নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কেও অবহিত করেন। দুই ব্যক্তির মধ্যে স্মৃতিসৌধ ও এর পরিবেশের মাহাত্ম্য, সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বেশ কিছু সময় ধরে এখানে জেলার উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধা নিয়ে আলোচনা চলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম শহরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক সেবা ক্ষেত্রে সহযোগিতার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন, যা মেয়রের পোস্টে উল্লেখিত হয়।

প্রাচীন এই ওয়ার সিমেট্রি শহরের বাদশা মিঞা সড়কে প্রতিষ্ঠা করে ব্রিটিশ সেনারা। ডিস্ট্রিক্ট অব চট্টগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনারা এ স্মৃতিস্তম্ভ প্রতিষ্ঠা করে। যুদ্ধের সময়ে, ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত, চট্টগ্রামে মিত্র বাহিনী চতুর্দশ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ও হাসপাতাল চালাচ্ছিল। যুদ্ধকালীন সময়ের চিকিৎসাধীন বহু সেনা এখানেই মারা যায়, তাদের সম্মানার্থে এই সমাধিসৌধ খোয়ান করা হয়। প্রথমে, এখানে ব্রিটিশ সেনাদের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪০০ মৃতদেহ দাফন করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ওয়ার সিমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্মারক এই ওয়ার সিমেট্রে পরিদর্শন করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সোয়া আটটার দিকে তিনি এ স্মৃতিস্তম্ভটি পরিদর্শনে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন।

মেয়র শাহাদাত হোসেন তাঁর ফেসবুকে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন, পরিদর্শনকালে তিনি রাষ্ট্রদূতকে শহীদ সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য দেখিয়েছেন। পাশাপাশি, ওয়ার সিমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

এ সময় মেয়র তাঁকে চট্টগ্রাম কেয়ার আধুনিক নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কেও অবহিত করেন। দুই ব্যক্তির মধ্যে স্মৃতিসৌধ ও এর পরিবেশের মাহাত্ম্য, সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বেশ কিছু সময় ধরে এখানে জেলার উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধা নিয়ে আলোচনা চলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম শহরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক সেবা ক্ষেত্রে সহযোগিতার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন, যা মেয়রের পোস্টে উল্লেখিত হয়।

প্রাচীন এই ওয়ার সিমেট্রি শহরের বাদশা মিঞা সড়কে প্রতিষ্ঠা করে ব্রিটিশ সেনারা। ডিস্ট্রিক্ট অব চট্টগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনারা এ স্মৃতিস্তম্ভ প্রতিষ্ঠা করে। যুদ্ধের সময়ে, ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত, চট্টগ্রামে মিত্র বাহিনী চতুর্দশ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ও হাসপাতাল চালাচ্ছিল। যুদ্ধকালীন সময়ের চিকিৎসাধীন বহু সেনা এখানেই মারা যায়, তাদের সম্মানার্থে এই সমাধিসৌধ খোয়ান করা হয়। প্রথমে, এখানে ব্রিটিশ সেনাদের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪০০ মৃতদেহ দাফন করা হয়।