০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

চট্টগ্রাম বন্দর দ্রুত সচল করতে সরকারী হস্তক্ষেপের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের

দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহত্তর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দ্রুত বাণিজ্য চালানোর লক্ষ্যে, সংগঠনটি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় যে, বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সাথে আলোচনা করে কার্যকর ও সময়মতো সমাধান বের করতে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজন। ডিসিসিআই মনে করে, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত। কারণ, দেশের মোট আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এখান থেকেই খালাস করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গড়ে মাসে প্রায় ২.৬ লাখ টিইইউ পণ্য খালাস হতো, এবং প্রতিদিন গড়ে ৯,০০০ টিইইউ পণ্য এই বন্দরে খালাসের কাজ চালানো হয়। কিন্তু, গত বুধবার থেকে এই কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য আটকা পড়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বিশাল আর্থিক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। প্রতিটি দিন এই আটকে থাকা পণ্য নিয়ে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ডিসিসিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায় যে, এই অচলাবস্থার ফলে দেশের রপ্তানি প্রক্রিয়ার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং এভাবে চলতে থাকলে সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর অবস্থার সৃষ্টি হবে।

সংগঠনটির আরও বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল বা সময় পরিবর্তনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়ানোর জন্য রাজি থাকলেও, দীর্ঘসময় এই পরিস্থিতি চললে তারা পণ্য সংগ্রহের জন্য বিকল্প দেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন। এই সংকটের দ্রুত সমাধানে, সকল স্টেকহোল্ডার, বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়ে, সরকারের হস্তক্ষেপ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে ডিসিসিআই। এই পরিস্থিতির অবসান না হলে দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

চট্টগ্রাম বন্দর দ্রুত সচল করতে সরকারী হস্তক্ষেপের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহত্তর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দ্রুত বাণিজ্য চালানোর লক্ষ্যে, সংগঠনটি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় যে, বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সাথে আলোচনা করে কার্যকর ও সময়মতো সমাধান বের করতে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজন। ডিসিসিআই মনে করে, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত। কারণ, দেশের মোট আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এখান থেকেই খালাস করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গড়ে মাসে প্রায় ২.৬ লাখ টিইইউ পণ্য খালাস হতো, এবং প্রতিদিন গড়ে ৯,০০০ টিইইউ পণ্য এই বন্দরে খালাসের কাজ চালানো হয়। কিন্তু, গত বুধবার থেকে এই কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য আটকা পড়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বিশাল আর্থিক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। প্রতিটি দিন এই আটকে থাকা পণ্য নিয়ে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ডিসিসিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায় যে, এই অচলাবস্থার ফলে দেশের রপ্তানি প্রক্রিয়ার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং এভাবে চলতে থাকলে সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর অবস্থার সৃষ্টি হবে।

সংগঠনটির আরও বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল বা সময় পরিবর্তনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়ানোর জন্য রাজি থাকলেও, দীর্ঘসময় এই পরিস্থিতি চললে তারা পণ্য সংগ্রহের জন্য বিকল্প দেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন। এই সংকটের দ্রুত সমাধানে, সকল স্টেকহোল্ডার, বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়ে, সরকারের হস্তক্ষেপ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে ডিসিসিআই। এই পরিস্থিতির অবসান না হলে দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।