১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, কারা ডাক পেতে পারেন? আইজিপি বাহারুল আলমের পদত্যাগ নিয়ে প্রশাসনে তীব্র গুঞ্জন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথে ১৩ দেশের প্রধানকে আমন্ত্রণ গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নির্বাচনী সফলতার জন্য তিন শীর্ষ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, নতুন সরকারের শপথ আজ মঙ্গলবার আসিফ নজরুলের স্পষ্টবার্তা: বিএনপির মন্ত্রিসভায় আমার থাকাটা সম্ভব নয় সেনাবাহিনী ফিরে যাবে ব্যারাকে: সেনাপ্রধান নবনির্বাচিত সরকার শপথ নিলে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে: সেনাপ্রধান

রমজানে আল-আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশাধিকার সংকুচিত করার পরিকল্পনা

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে মুসলিমরা আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ের সুযোগ সংকুচিত করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি আগে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিলের বর্তমান সভাপতি শেখ একরিমা সাবরি এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফিলিস্তিনের জেরুজালেম থেকে এই খবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ ও নামাজের সুযোগ কমানোর জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ একরিমা সাবরি বলেন, মুসলমানরা রমজানকে মর্যাদার সঙ্গে পালন করে, মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসারে ইবাদত-আচরণ করেন। তিনি শাবান মাসের শেষদিকে রমজান শুরু হয়—এমন ঐতিহ্য উল্লেখ করেন। কিন্তু বর্তমানে জেরুজালেমের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক, কারণ দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের উপর কঠোর ব্যবস্থা আরোপ করতে চাইছে। এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, দখলদাররা ইতোমধ্যে অনেক ফিলিস্তিনি যুবককে পবিত্র মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়ে রেখেছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পশ্চিম তীর থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য রমজান চলাকালীন কোনো ধরণের শিথিলতা করা হবে না। ফলে মুসল্লির সংখ্যা কমে যাওয়া আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রোজা পালনকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে উল্লেখ করেন শেখ একরিমা সাবরি।

তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমের বহু ফিলিস্তিনি বাসিন্দার উপর সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিশেষ করে বেশ কয়েক ডজন যুবককে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করতে না পারে। কিছু নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে, যা মুসল্লিদের প্রার্থনা ও ধর্মীয় অধিকার চর্চায় বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, কারা ডাক পেতে পারেন?

রমজানে আল-আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশাধিকার সংকুচিত করার পরিকল্পনা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে মুসলিমরা আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ের সুযোগ সংকুচিত করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি আগে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিলের বর্তমান সভাপতি শেখ একরিমা সাবরি এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফিলিস্তিনের জেরুজালেম থেকে এই খবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ ও নামাজের সুযোগ কমানোর জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ একরিমা সাবরি বলেন, মুসলমানরা রমজানকে মর্যাদার সঙ্গে পালন করে, মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসারে ইবাদত-আচরণ করেন। তিনি শাবান মাসের শেষদিকে রমজান শুরু হয়—এমন ঐতিহ্য উল্লেখ করেন। কিন্তু বর্তমানে জেরুজালেমের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক, কারণ দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের উপর কঠোর ব্যবস্থা আরোপ করতে চাইছে। এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, দখলদাররা ইতোমধ্যে অনেক ফিলিস্তিনি যুবককে পবিত্র মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়ে রেখেছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পশ্চিম তীর থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য রমজান চলাকালীন কোনো ধরণের শিথিলতা করা হবে না। ফলে মুসল্লির সংখ্যা কমে যাওয়া আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রোজা পালনকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে উল্লেখ করেন শেখ একরিমা সাবরি।

তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমের বহু ফিলিস্তিনি বাসিন্দার উপর সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিশেষ করে বেশ কয়েক ডজন যুবককে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করতে না পারে। কিছু নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে, যা মুসল্লিদের প্রার্থনা ও ধর্মীয় অধিকার চর্চায় বড় বাধা সৃষ্টি করছে।