আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে মুসলিমরা আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ের সুযোগ সংকুচিত করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি আগে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিলের বর্তমান সভাপতি শেখ একরিমা সাবরি এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফিলিস্তিনের জেরুজালেম থেকে এই খবর প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ ও নামাজের সুযোগ কমানোর জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ একরিমা সাবরি বলেন, মুসলমানরা রমজানকে মর্যাদার সঙ্গে পালন করে, মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসারে ইবাদত-আচরণ করেন। তিনি শাবান মাসের শেষদিকে রমজান শুরু হয়—এমন ঐতিহ্য উল্লেখ করেন। কিন্তু বর্তমানে জেরুজালেমের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক, কারণ দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের উপর কঠোর ব্যবস্থা আরোপ করতে চাইছে। এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, দখলদাররা ইতোমধ্যে অনেক ফিলিস্তিনি যুবককে পবিত্র মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়ে রেখেছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পশ্চিম তীর থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য রমজান চলাকালীন কোনো ধরণের শিথিলতা করা হবে না। ফলে মুসল্লির সংখ্যা কমে যাওয়া আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রোজা পালনকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে উল্লেখ করেন শেখ একরিমা সাবরি।
তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমের বহু ফিলিস্তিনি বাসিন্দার উপর সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিশেষ করে বেশ কয়েক ডজন যুবককে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করতে না পারে। কিছু নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে, যা মুসল্লিদের প্রার্থনা ও ধর্মীয় অধিকার চর্চায় বড় বাধা সৃষ্টি করছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























