০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

রাজধানীর বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণকে বর্ণিল সাজে সাজিয়ে অমর একুশের চেতনাকে সম্মান জানানো হয়।

দিবসটি উদযাপনের মূল আয়োজনে ছিল প্রভাতফেরি, দেয়ালিকা উদ্বোধন, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথম প্রহরে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে বের করা হয় বিশাল এক প্রভাতফেরি। ‘‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’’ গানটির সুরে সবাই নগ্ন পায়ে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

উক্ত দিন কলেজে আয়োজন করা আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন রেক্টর প্রফেসর তরুণ কান্তি বড়ুয়া। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সঞ্জয় কুমার ধর। মাতৃভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও তাৎপর্য নিয়ে তথ্যবহুল উপস্থাপন করেন শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তাকিয়া মাহমুদা পারভীন এবং দশম শ্রেণির ছাত্র মো. শাফাকাত চৌধুরী সায়াদ।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে ভাষা ও স্বাধীনতার তাগিদ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক রতন কুমার ধর, এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সহকারী শিক্ষক রানজুনি চাকমা।

উল্লেখ্য, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের জন্য চিত্রাঙ্কন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছিল, যাতে শিক্ষার্থীরা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান ও আবেগ প্রকাশ করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

প্রকাশিতঃ ০৩:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণকে বর্ণিল সাজে সাজিয়ে অমর একুশের চেতনাকে সম্মান জানানো হয়।

দিবসটি উদযাপনের মূল আয়োজনে ছিল প্রভাতফেরি, দেয়ালিকা উদ্বোধন, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথম প্রহরে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে বের করা হয় বিশাল এক প্রভাতফেরি। ‘‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’’ গানটির সুরে সবাই নগ্ন পায়ে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

উক্ত দিন কলেজে আয়োজন করা আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন রেক্টর প্রফেসর তরুণ কান্তি বড়ুয়া। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সঞ্জয় কুমার ধর। মাতৃভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও তাৎপর্য নিয়ে তথ্যবহুল উপস্থাপন করেন শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তাকিয়া মাহমুদা পারভীন এবং দশম শ্রেণির ছাত্র মো. শাফাকাত চৌধুরী সায়াদ।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে ভাষা ও স্বাধীনতার তাগিদ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক রতন কুমার ধর, এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সহকারী শিক্ষক রানজুনি চাকমা।

উল্লেখ্য, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের জন্য চিত্রাঙ্কন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছিল, যাতে শিক্ষার্থীরা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান ও আবেগ প্রকাশ করেছে।