০৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

কোহলির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বেঙ্গালুরুর দাপুটে জয়

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ২৩তম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) অনায়াসেই লখনৌ সুপার জায়ান্টসকে (LSG) হারিয়ে নেয়। বোলিং ইউনিটের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশনা এবং বিরাট কোহলির দায়িত্বশীল ব্যাটিংকে ভর করে বেঙ্গালুরু ৫ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় এবং পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে। অপরদিকে রিশভ পন্তের চোট এবং বড় ব্যবধানে হার লখনৌকে টেবিলের ৭ নম্বরে ঠেলে দিয়েছে।

ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ ইনিংসের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়—অধিনায়ক রিশভ পন্ত মাঠে চোট পেয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। পরে তিনি ফিরে আসার চেষ্টা করলেও শারীরিক সমস্যা তাদের সম্পূর্ণ শক্তি দেখাতে বাধা দেয়। মিডল অর্ডারে মিচেল মার্শ ৪০ ও আয়ুশ বাদোনি ৩৮ রানের সংগ্রহ করে দলের ইনিংসকে রেসপেকটেবল অবস্থায় নিয়ে আসেন। শেষ ওয়ানে মুকুল চৌধরীর ৩৯ রানের কার্যকর ইনিংসের কারণে লখনৌ নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৬ রান করতে সক্ষম হয়।

বেঙ্গালুরুর বোলিং ইউনিটের মধ্যে রাসিখ সালাম সর্বোচ্চ আলোচিত ছিলেন—তিনি লখনৌর ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছেন এবং রান প্রবাহ থামাতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমারও সফল ছিলেন; তিনি ৩ উইকেট নেন এবং লখনৌকে স্বল্প স্কোরে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

৬ বলে ১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরু শুরুতে একটি উইকেট হারালেও তাতে ভুগে পড়েনি। বিরাট কোহলি ধীরগতিতে ইনিংস গড়েন এবং ব্যক্তিগত ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে ৪৯ রান করে ফেরেন—পঞ্চাশে পৌঁছতে পারেননি। কোহলির জীবনের পরে রজত পতিদার ও জিতেশ শর্মা দ্রুতগতিতে রান যোগ করে দারুণ ভাবে চাপ কমান। টিম ডেভিড ও রোমারিও শেফার্ড শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে প্রতিটি ১৪ করে রান যোগ করে দলকে মাত্র ১৫.১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করেন।

এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু টুর্নামেন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে এবং দলটির সামঞ্জস্যপূর্ণ পারফরম্যান্স ভক্তদের মধ্যে শিরোপা জয়ের ভাবনা আরও জোরালো করেছে। অন্যদিকে লখনৌ শিবিরের জন্য ম্যাচটি বেশ সতর্কবার্তা—বিশেষত অধিনায়ক রিশভ পন্তের চোট কতটা গুরুতর তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বর্তমানে টেবিলের ৭ নম্বরে থাকা লখনৌকে প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে দ্রুত মিলিয়ে নেওয়া পরিবর্তন ও খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিশ্চিত করতে হবে।

সংক্ষেপে, বেঙ্গালুরুর কার্যকর বোলিং ও দায়িত্বশীল ব্যাটিং তাদের এই দাপুটে জয়ের মূল হাতিয়ার ছিল, আর লখনৌর জন্য এখন দ্রুত পুনরুদ্ধারই প্রধান চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

কোহলির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বেঙ্গালুরুর দাপুটে জয়

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ২৩তম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) অনায়াসেই লখনৌ সুপার জায়ান্টসকে (LSG) হারিয়ে নেয়। বোলিং ইউনিটের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশনা এবং বিরাট কোহলির দায়িত্বশীল ব্যাটিংকে ভর করে বেঙ্গালুরু ৫ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় এবং পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে। অপরদিকে রিশভ পন্তের চোট এবং বড় ব্যবধানে হার লখনৌকে টেবিলের ৭ নম্বরে ঠেলে দিয়েছে।

ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ ইনিংসের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়—অধিনায়ক রিশভ পন্ত মাঠে চোট পেয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। পরে তিনি ফিরে আসার চেষ্টা করলেও শারীরিক সমস্যা তাদের সম্পূর্ণ শক্তি দেখাতে বাধা দেয়। মিডল অর্ডারে মিচেল মার্শ ৪০ ও আয়ুশ বাদোনি ৩৮ রানের সংগ্রহ করে দলের ইনিংসকে রেসপেকটেবল অবস্থায় নিয়ে আসেন। শেষ ওয়ানে মুকুল চৌধরীর ৩৯ রানের কার্যকর ইনিংসের কারণে লখনৌ নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৬ রান করতে সক্ষম হয়।

বেঙ্গালুরুর বোলিং ইউনিটের মধ্যে রাসিখ সালাম সর্বোচ্চ আলোচিত ছিলেন—তিনি লখনৌর ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছেন এবং রান প্রবাহ থামাতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমারও সফল ছিলেন; তিনি ৩ উইকেট নেন এবং লখনৌকে স্বল্প স্কোরে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

৬ বলে ১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরু শুরুতে একটি উইকেট হারালেও তাতে ভুগে পড়েনি। বিরাট কোহলি ধীরগতিতে ইনিংস গড়েন এবং ব্যক্তিগত ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে ৪৯ রান করে ফেরেন—পঞ্চাশে পৌঁছতে পারেননি। কোহলির জীবনের পরে রজত পতিদার ও জিতেশ শর্মা দ্রুতগতিতে রান যোগ করে দারুণ ভাবে চাপ কমান। টিম ডেভিড ও রোমারিও শেফার্ড শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে প্রতিটি ১৪ করে রান যোগ করে দলকে মাত্র ১৫.১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করেন।

এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু টুর্নামেন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে এবং দলটির সামঞ্জস্যপূর্ণ পারফরম্যান্স ভক্তদের মধ্যে শিরোপা জয়ের ভাবনা আরও জোরালো করেছে। অন্যদিকে লখনৌ শিবিরের জন্য ম্যাচটি বেশ সতর্কবার্তা—বিশেষত অধিনায়ক রিশভ পন্তের চোট কতটা গুরুতর তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বর্তমানে টেবিলের ৭ নম্বরে থাকা লখনৌকে প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে দ্রুত মিলিয়ে নেওয়া পরিবর্তন ও খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিশ্চিত করতে হবে।

সংক্ষেপে, বেঙ্গালুরুর কার্যকর বোলিং ও দায়িত্বশীল ব্যাটিং তাদের এই দাপুটে জয়ের মূল হাতিয়ার ছিল, আর লখনৌর জন্য এখন দ্রুত পুনরুদ্ধারই প্রধান চ্যালেঞ্জ।